ইরান-আমেরিকা যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন জটিলতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হোয়াইট হাউজে বৈঠকে বসলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

যদিও শুধু মুখের কথায় কোনো চুক্তিতে ইরান সম্মত হবে না বলে জানিয়েছে ইরান। এই সমঝোতার চেষ্টার মধ্যেই ইরানে নতুন করে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে শুক্রবার হোয়াইট হাউজে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বড় ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বৈঠকের আগে ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে বেশ কিছু শর্তের কথা উল্লেখ করেন ট্রাম্প। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে পরমাণু ইস্যুতে ইরানের শর্ত প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালির উভয় দিকেই অবাধ নৌ-চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া এবং জলপথে থাকা সব মাইন ধ্বংসের শর্তও রয়েছে।

এরপরই ইরান জানিয়েছে, দুই পক্ষই চুক্তির অনেকটা কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পায়নি। যদিও দেশটির স্পিকার মোহাম্মদ গালিবফ সাফ জানিয়েছেন, শুধু মুখের কথার ওপর ভিত্তি করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে যাবে না ইরান।

এরমধ্যে ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দা র। বৈঠক শেষে ইরান ইস্যুতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা ইতিবাচক ফল দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তবে কা র্যকর পদক্ষেপের দা বি জানিয়েছে ইরান।

এদিকে ওয়াশিংটন ও তেহরান যখন একটি সমঝোতা চুক্তির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তখনই ফের হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের। তিনি বলেন, ইরানে আবারও সামরিক অভিযান শুরু করার মতো সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের আছে। আর চুক্তি না হলেই এই হামলার হুমকি তাঁর।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে সম্মত হতে এখনো বেশ কিছু জটিল বিষয় সমাধান করা বাকি আছে বলে মনে করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেন, দুই পক্ষের চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে কত দিন সময় লাগবে তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

চাটগাঁ নিউজ/জেএইচ

Scroll to Top