বোয়ালখালী প্রতিনিধি: বোয়ালখালীতে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে আটক করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। ঘটনার পর পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।
গত ৩০ আগস্ট বোয়ালখালী থানার এএসআই (নিঃ) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলার আসামিরা হলেন—মো. জেবল হোসেন (২৪), মো. মহিউদ্দিন (২৭), সুমি আক্তার (৩২), শর্মি আক্তার (২২), মহরম আলী (৪৩) ও ফাতেমা বেগম (২২)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর কালডেঙ্গা শিকদার বাড়ি এলাকার মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে স্থানীয় আব্দুল মান্নান একটি সিআর মামলা করেন। ওই মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
রবিবার রাত ১১টার দিকে চরণদ্বীপ ইউনিয়নের মসজিদঘাটা এলাকায় মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালায় বোয়ালখালী থানা পুলিশের একটি দল। এ সময় মামলার বাদী আব্দুল মান্নানও পুলিশের সঙ্গে ছিলেন।
পুলিশ মহিউদ্দিনকে আটক করার চেষ্টা করলে সেখানে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজন আহত হন।
আহতরা হলেন—এসআই আবদুল হালিম (৪৮), এএসআই মাসুম বিল্লাহ (৩৫), কনস্টেবল হাসানুজ্জামান (৩২), মামলার বাদী আব্দুল মান্নান (৫৫) ও মোক্তার হোসেন (৪০)।
পুলিশের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তরা পুলিশ সদস্যদের বাধা দেন এবং কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে আঁচড় ও কামড় দেন।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন জানান, আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামি মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মহিউদ্দিন, তার আত্মীয় এবং গ্রাম পুলিশ সদস্য জেবল হোসাইনসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, মামলার পঞ্চম আসামি মহরম আলীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি এলাকায় চাঁদাবাজি, হয়রানি ও বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
চাটগাঁ নিউজ/ইয়াসিন/এমকেএন





