অ্যাম্বুল্যান্সে ট্রাইব্যুনালে আনা হলো সাবেক এমপি ফজলে করিমকে

চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: জুলাই অভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরামসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আজ আদেশ দেবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) অভিযোগ গঠনের আদেশকে কেন্দ্র করে গ্রেফতার পাঁচ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এর মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে অসুস্থতার কারণে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সাবেক পিজি হাসপাতাল) থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগ গঠনের আদেশের দিন গ্রেফতার আসামিদের আদালতে উপস্থিত রাখা আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ। সে অনুযায়ী কারাগার থেকে আনা হয় যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম, মো. ফিরোজ ও দেবাশীষ পাল দেবুকে। চিকিৎসাধীন থাকায় ফজলে করিমকে হাসপাতাল থেকে সরাসরি ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হয়।

মামলাটির অন্যতম আসামি সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ মোট ২২ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগেও গত বুধবার এবং ২৮ জুন ফজলে করিমকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আনা হয়েছিল। তবে সেসব দিনে তাকে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়নি। বিচারিক কার্যক্রম শেষে আবার হাসপাতালে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

ফজলে করিমকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ট্রাইব্যুনালে আনার বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে ব্রিফিং করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে চিকিৎসা-সংক্রান্ত সনদের ভিত্তিতে ফজলে করিম আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের নজরে আনা হলে তার আইনজীবীর উপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম চালানোর আবেদন জানানো হয়েছিল।

চিফ প্রসিকিউটরের অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে আদালতের কোনো নির্দেশনা ছাড়াই ফজলে করিমকে অ্যাম্বুলেন্সে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। তার ভাষ্য, বিচার কার্যক্রমকে বিতর্কিত করা এবং জনমনে সহানুভূতি তৈরির উদ্দেশ্যেই এমনটি করা হয়েছে।

চাটগাঁ নিউজ/এমকেএন

Scroll to Top