চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে শুরু থেকেই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন। এরই ধারাবাহিকতায় বান্দরবানের লামা উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নতুন ঘর নির্মাণসামগ্রী হস্তান্তর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের কুমারী এলাকায় তাকওয়া ভ্যালি প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব নির্মাণসামগ্রী হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল মাহবুব-উল-আলম (অব.)। বিশেষ অতিথি ছিলেন লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেজর জেনারেল মাহবুব-উল-আলম (অব.) বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন। ঘর হারানো মানুষের জন্য নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মানুষের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। দুর্যোগের পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত প্রয়োজন। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে এলে পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘব ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঘর নির্মাণের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ ও স্থায়ী আবাসনের সুযোগ করে দেওয়াই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।
উল্লেখ্য, আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন পরিবারের জন্য ১০০টি ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে পেকুয়া, বাঁশখালী ও সাতকানিয়ায় এসব ঘর নির্মাণ করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চাটগাঁ নিউজ/এমকেএন






