চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: দিল্লির একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী নুরুল আমিন সোহাগের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
রবিবার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় নগরের বারোকোয়ার্টার সংলগ্ন লেকভিউ আবাসিক এলাকায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
নিহত নুরুল আমিন সোহাগ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাসিন্দা এবং এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২ জুন বোনের জামাই মোশাররফ হোসেনের চিকিৎসার জন্য সোহাগসহ পাঁচজন ভারতে যান। পরদিন ৩ জুন দিল্লির ফ্লোরিশ স্টে বি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে সোহাগসহ মোট ২১ জন নিহত হন।
এ ঘটনায় সোহাগের বোন রেহেনা আকতার মুন্নী, বোনের স্বামী মোশাররফ হোসেন, মোশাররফের চাচাতো বোন উম্মে জোহরা এবং তার মেয়ে উম্মে সায়রা গুরুতর আহত হন। তারা বর্তমানে দিল্লির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্বজনদের দাবি, আহতদের মধ্যে রেহেনা আকতার মুন্নীর শারীরিক অবস্থা সবচেয়ে সংকটাপন্ন।
নিহতের বোনের জামাই কবির আহমেদ বাচ্চু জানান, অগ্নিকাণ্ডের দিনই সোহাগের মৃত্যু হয়। নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে শনিবার রাতে তার মরদেহ চট্টগ্রামে পৌঁছায়। রবিবার জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়েছে। আহত চার স্বজন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
শনিবার রাতে মরদেহ চট্টগ্রামে পৌঁছানোর পর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। বাবা আবদুস সোবাহান, মা রোকেয়া বেগম, স্ত্রী ফারজানা ফেরদৌস এবং ছেলে আরাফসহ স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। শেষবারের মতো প্রিয় মানুষটিকে দেখতে ভিড় করেন আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা। অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এই মর্মান্তিক বিদায়ে।
চাটগাঁ নিউজ/এমকেএন





