স্পোর্টস ডেস্ক: পাঁচ বছর পর জিম্বাবুয়ের মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্টে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে মাত্র ১৪০ রানেই অলআউট হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
সাত ব্যাটসম্যান নিয়ে মাঠে নামলেও জিম্বাবুয়ের নিয়ন্ত্রিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পেস আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা।
রবিবার (২৮ জুন) টস জিতে বাংলাদেশকে প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা খায় সফরকারীরা। দুই ওপেনারের বিদায়ের পর সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তবে ইনিংসের ১২তম ওভারে ব্র্যাড ইভান্সের বলে ব্যক্তিগত ২০ রান করে ফেরেন সাদমান।
এরপর মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত চতুর্থ উইকেটে ৭৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন।
লাঞ্চ বিরতির পর হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মুমিনুল। নিউম্যান নিয়ামহুরির ব্যাক অব লেংথ ডেলিভারিতে ব্যাটের কানায় লেগে বল দ্বিতীয় স্লিপে যায়, যেখানে সহজ ক্যাচ নেন ফিল্ডার। ৮১ বলে ১০টি চারের সাহায্যে ৬০ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন তিনি।
মুমিনুলের বিদায়ের পরই ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দল। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি। অভিষিক্ত দুই ক্রিকেটার তাওহীদ হৃদয় ও অমিত হাসানও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। হৃদয় করেন ৩ রান, আর অমিতের ব্যাট থেকে আসে ৪ রান।
বাংলাদেশের হয়ে মুমিনুলের ৬০ রানই ছিল সর্বোচ্চ। এছাড়া সাদমান ইসলাম ২০ এবং নাজমুল হোসেন শান্ত ১৯ রান করেন। বাকি কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। মাত্র ৪৭.২ ওভারে ১৪০ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।
জিম্বাবুয়ের হয়ে নিউম্যান নিয়ামহুরি ৬১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন। এছাড়া ব্র্যাড ইভান্স, রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানি দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
বাংলাদেশ নির্ধারিত চা বিরতির প্রায় ১০ মিনিট আগেই অলআউট হওয়ায় আগেভাগেই চা বিরতি দেওয়া হয়। বিরতির পর নিজেদের প্রথম ইনিংস শুরু করতে মাঠে নামে জিম্বাবুয়ে।
চাটগাঁ নিউজ/এমকেএন






