চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক : পশু কোরবানির পর চট্টগ্রাম নগরীতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে নেমেছে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। আর নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে ঘুরে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরাসরি তদারক করছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘন্টার মধ্যে নগরীর সকল কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে চসিক। এতে অংশ নিয়েছে চসিকের ৩২শ জন সেবক।
নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়ক ও অলি-গলি থেকে বর্জ্য এনে গাড়িতে তোলা হচ্ছে। অনেক স্থানে ব্যক্তি উদ্যোগে পানি দিয়ে রক্ত পরিষ্কার ও ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। জোন কর্মকর্তা, সুপারভাইজার ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের (সেবক) সমন্বয়ে ওয়ার্ডভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
এদিকে বেলা ২টা থেকে পুরোদমে পশুর বর্জ্য অপসারণ শুরু হয়েছে। ছয় ঘণ্টার মধ্যেই পুরো নগরীর বর্জ্য পরিষ্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। কাজীর দেউড়ি বিমান অফিসের সামনের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়।
রাত ৮টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের কথা জানিয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, সকালে ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের পরপরই নগরীর পাড়া-মহল্লা ও সড়কে পশু কোরবানি শুরু হয়। কোরবানির পরপরই ডাম্প ট্রাক, কম্পেক্টর, পে-লোডার গাড়ি নিয়ে এসব পরিচ্ছন্নতাকর্মী পাড়া-মহল্লায় ঘুরে ঘুরে বর্জ্য সংগ্রহ করছেন। সঙ্গে সঙ্গে পানি ও ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে কোরবানির স্থানটিকে পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। আশা করছি, রাত ৮টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন হবে। এছাড়া আগামী দুইদিন যেসব নগরবাসী পশু কোরবানি করবেন সেসব বর্জ্যও কোরবানির পরপরই অপসারণ করা হবে বলে জানান তিনি।
চাটগাঁ নিউজ/এসএ





