ঈদ যাত্রায় নগর ছাড়ছে ঘরমুখো মানুষ, সড়ক-রেলপথে ভিড়

চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক : আজ থেকে শুরু হয়েছে টানা সাতদিনের ঈদের সরকারি ছুটি। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে চট্টগ্রাম শহর ছাড়ছেন হাজারো মানুষ। সড়ক, নৌ ও রেলপথ—সবখানেই বেড়েছে ঘরমুখো মানুষের চাপ। তবে সড়কপথের ঝামেলা এড়াতে বেশিরভাগ যাত্রী ট্রেনযাত্রাকেই স্বস্তির মাধ্যম হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। এ কারণে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি হয়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। চাহিদার চাপ সামলাতে ঈদযাত্রার প্রায় সব আন্তঃনগর ট্রেনে অতিরিক্ত বগি যুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ মে) ভোর থেকেই সড়ক ও রেলপথে বাড়তি চাপ দেখা গেছে। অনেক যাত্রী অভিযোগ করেছেন, অতিরিক্ত চাপের সুযোগ নিয়ে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া আদায় করছেন কিছু পরিবহন মালিক ও শ্রমিক। তীব্র গরমও যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়িয়েছে। তারপরও স্বজনদের কাছে ফিরতে পেরে অনেকের মুখে ছিল স্বস্তির হাসি।

এদিকে, ঈদ উপলক্ষে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয় শনিবার থেকে। সোমবার (২৫ মে) চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে ছিল যাত্রীদের ভিড়। কোনো ধরনের ঝক্কি-ঝামেলা ছাড়াই অনেক যাত্রী হাসিমুখে আগেভাগেই বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন।তবে সব আসনের টিকিট অনলাইনে বিক্রি হওয়ায় কালোবাজারি অনেকটাই কমে এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, প্রতিটি আন্তঃনগর ট্রেনে অতিরিক্ত বগি যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে জামালপুরগামী বিজয় এক্সপ্রেস, সিলেটগামী পাহাড়িকা ও উদয়ন এক্সপ্রেস, ঢাকাগামী মহানগর গোধূলী এবং চাঁদপুরগামী মেঘনা এক্সপ্রেসে অতিরিক্ত বগি সংযোজন করা হয়েছে। এসব ট্রেনের টিকিটের চাহিদাও ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার আবু জাফর মজুমদার জানান, ঈদযাত্রায় চট্টগ্রাম থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ১৬ জোড়া ট্রেন চলাচল করবে। এসব ট্রেনে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার যাত্রী সিটে বসে এবং আরও প্রায় দুই হাজার যাত্রী স্ট্যান্ডিং টিকিটে যাতায়াত করতে পারবেন। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ১২ হাজার যাত্রী পরিবহণ করা হবে। অগ্রিম টিকিট, স্পেশাল ও স্ট্যান্ডিং টিকিটের মাধ্যমে যাত্রীরা ঈদযাত্রা করবেন। ঈদের দুই দিন আগে থেকে চট্টগ্রাম–চাঁদপুরসহ বিভিন্ন রুটে স্পেশাল ট্রেন চলাচল করবে।

চাটগাঁ নিউজ/এসএ

Scroll to Top