ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.১৩ শতাংশ

চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের সমাপ্ত ফেব্রুয়ারিতে দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা গত জানুয়ারিতে ছিল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

আজ রোববার (৮ মার্চ) প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতির এই বৃদ্ধি মূলত খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই দামের ঊর্ধ্বগতির প্রতিফলন।

বিবিএসের তথ্য বলছে, ফেব্রুয়ারি মাসে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি প্রায় ১ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।

গত বছরের একই সময়ের তুলনাতেও খাদ্যপণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ২৪ শতাংশ, যা চলতি বছরের একই সময়ে বেড়ে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশে পৌঁছেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির প্রভাব খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে প্রতিফলিত হয়েছে।

অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত (নন-ফুড) খাতেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে এ খাতে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০১ শতাংশ, যা জানুয়ারিতে ছিল ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ।

তবে বার্ষিক হিসাবে নন-ফুড মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা এ বছর কমে ৯ দশমিক ০১ শতাংশ হয়েছে।

সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, এক মাসের ব্যবধানে দেশে মূল্যস্ফীতির চাপ আবারও বেড়েছে। যদিও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কম রয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, খাদ্যপণ্যের দাম, জ্বালানি ব্যয় এবং সরবরাহ পরিস্থিতি মূল্যস্ফীতির ওপর বড় প্রভাব ফেলে। এসব খাতে স্থিতিশীলতা না এলে মূল্যস্ফীতির চাপ পুরোপুরি কমানো কঠিন হতে পারে।

চাটগাঁ নিউজ/জেএইচ

Scroll to Top