চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) মশক নিধনে মাসব্যাপী ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে চসিকের ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে বিভিন্ন অঞ্চলের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রক্তিম চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে ২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের দাইয়াপাড়ার খোকনের বাড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসচেতনভাবে মশার লার্ভা উৎপাদন ও জনগণের জীবন হুমকিতে ফেলার দায়ে অভিযুক্তকে সিটি করপোরেশন আইন ২০০৯ এর ৯২ ধারা অনুসারে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ম্যাজিস্ট্রেট।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সেন্ট প্লাসিডস স্কুলের সামনে মাসব্যাপী মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব আশরাফুল আমিন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে চসিক বিটিআই (Bti) ব্যবহার করছে। ফলে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আমরা আটটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করেছি। এগুলো হলো ২,৩,১৭,১৮,১৯,৩২,৩৪,৩৯ নম্বর ওয়ার্ড।
তিনি বলেন, এসব এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মশক নিধন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে শতাধিক কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত জনবল দিয়ে কাজ করার পাশাপাশি অন্যান্য এলাকায় নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
আশরাফুল আমিন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধ প্রয়োগ নয়, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত জায়গা, জমে থাকা পানি এবং বিভিন্ন স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা শনাক্ত করে তা ধ্বংস করা হবে। যেখানে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া যাবে, সেখানে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
চাটগাঁ নিউজ/এসএ






