চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় এক পর্যটকের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। একই সঙ্গে এ ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
রোববার (২ আগস্ট) বাংলাদেশ পর্যটন ভবনে অনুষ্ঠিত এক সভায় মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন।
সভায় তিনি বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনায় নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় মন্ত্রী কক্সবাজারসহ দেশের সব পর্যটন এলাকায় নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি সব অংশীজনকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় মানিকগঞ্জকে জেলা ভিত্তিক পর্যটন সার্কিট হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনায় নদীকেন্দ্রিক পর্যটনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বালিয়াটি প্রাসাদ, ধামরাই লোকশিল্প কেন্দ্রসহ অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী পর্যটন স্থাপনার সংরক্ষণ, পুনর্বাসন এবং পর্যটনবান্ধব উন্নয়নের নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।
আফরোজা খানম বলেন, প্রতিটি পর্যটন গন্তব্যের জন্য পৃথক থিম নির্ধারণ করে পরিকল্পিত প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি নতুন পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে স্থানীয় জনগণের জীবন-জীবিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের পর্যটন খাতে প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি। তাই সরকারি ও বেসরকারি সব অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগে এ খাতকে আরও গতিশীল করতে হবে। এছাড়া কর্ণফুলী টানেল ও পদ্মা সেতু সংলগ্ন অতিথিশালাগুলো দ্রুত সাধারণ মানুষের জন্য পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
চাটগাঁ নিউজ/এমকেএন






