চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রাম শহর থেকে রাউজানে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে হাটহাজারীর ইছাপুর বাজারে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছে ইটভাটার এক মালিক। তাকে লক্ষ্য করে অন্তত চার রাউন্ড গুলি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে দুর্বৃত্তরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে গাড়িটি থামানোর চেষ্টা করে। তবে হামলায় ব্যবসায়ী এস এম শহীদুল্লাহ রনি অক্ষত থাকলেও তার ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়নের ইছাপুর বাজারের চারা বটতলা এলাকায় চট্টগ্রাম-রাঙামাটি আঞ্চলিক মহাসড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার এস এম শহীদুল্লাহ রনি চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াহেদীখীল এলাকার এস এম শফি আহমেদের ছেলে। রাউজানে তার একাধিক ইটভাটা রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, ব্যবসায়িক কাজ শেষে চট্টগ্রাম নগর থেকে একটি এসইউভি (জিপ) চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন এস এম শহীদুল্লাহ রনি। গাড়িটির চালকের আসনেও তিনি নিজেই ছিলেন। ইছাপুর বাজারের চারা বটতলা এলাকায় পৌঁছালে দুটি মোটরসাইকেলে থাকা কয়েকজন দুর্বৃত্ত ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে গাড়িটি থামানোর চেষ্টা করে। এতে ব্যর্থ হয়ে তারা গাড়ি লক্ষ্য করে পরপর চার রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মো. তারেক আজিজ এবং হাটহাজারী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পরে সেখান থেকে তারা চারটি গুলির খোসা আলামত হিসেবে উদ্ধার করে।
পুলিশের ধারণামতে— হামলাকারীরা সম্ভবত ভেবেছিল এস এম শহীদুল্লাহ রনি গাড়ির পেছনের আসনে বসেছিলেন। কারণ, সচরাচর তিনি সেখানেই বসে চলাচল করেন। সে ধারণা থেকেই গাড়ির পেছনের অংশ লক্ষ্য করে তারা গুলি করে।
ভুক্তভোগী এস এম শহীদুল্লাহ রনি বলেন, আমার রাউজানে ইটভাটার ব্যবসা রয়েছে। এই ব্যবসাকে কেন্দ্র করেই সন্ত্রাসীরা আমাকে টার্গেট করেছে। সম্প্রতি আমার ওপর আরও কয়েকবার হামলা হয়েছে। মাসখানেক আগেও আমার শহরের বাড়িতে কিছু লোক অতর্কিত হামলা চালিয়েছিল।
হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, রনির সঙ্গে বিভিন্ন পক্ষের পুরোনো দ্বন্দ্ব রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেই শত্রুতার জের ধরেই হামলার ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।
চাটগাঁ নিউজ/জেএইচ





