স্পোর্টস ডেস্ক: ফুটবল মাঠে লিওনেল মেসি ও নেইমার-এর রসায়ন দীর্ঘদিন ধরেই কিংবদন্তিতুল্য। বার্সেলোনা থেকে প্যারিস সেন্ট-জার্মেই—ক্লাব ফুটবলের সীমানা পেরিয়ে তাদের এই বন্ধুত্ব এখন গভীর আত্মিক সম্পর্কে রূপ নিয়েছে।
তবে জাতীয় দলের জার্সিতে মুখোমুখি হলেই বন্ধুত্বের জায়গা ছেড়ে দেয় পেশাদারিত্ব। কোপা আমেরিকা ২০২১-এর ফাইনালে ব্রাজিলের হারের পর নেইমারকে মেসির সান্ত্বনা দেওয়ার দৃশ্য এখনো ফুটবলপ্রেমীদের মনে অম্লান।
এবার ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে নেইমার বুনছেন নতুন স্বপ্ন। তার আশা—ফাইনালের মঞ্চে তিনি মুখোমুখি হবেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু মেসির।
আগামী ১১ জুন উত্তর আমেরিকায় শুরু হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপকে অনেকেই দেখছেন দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো-এর শেষ বিশ্বকাপ হিসেবে।
৩২ বছর বয়সী নেইমারের জন্যও এটি হতে পারে নিজেকে প্রমাণের বড় সুযোগ। তবে বড় চোট কাটিয়ে ফেরা এই ব্রাজিলিয়ান তারকার সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দলে জায়গা নিশ্চিত করা।
সম্প্রতি কোপা সুদামেরিকানা-এ সান্তোস ও সান লরেঞ্জো-এর ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেইমার বলেন, আমি সবসময় বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবি। প্রতিটি ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়ের মতো আমিও সেখানে থাকতে চাই। আশা করি, আমি সেই সুযোগ পাব।
মেসির বিপক্ষে সম্ভাব্য লড়াই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মধ্যে একটি ফাইনাল হবে অবিশ্বাস্য। আমি আশা করি আমরা ফাইনালে পৌঁছাব এবং সেখানে মেসির মুখোমুখি হব।
আগামী ১৮ মে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করবেন অভিজ্ঞ কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। নেইমারের দলে থাকা এখন অনেকটাই নির্ভর করছে তার শারীরিক ফিটনেসের ওপর। কোচ আগেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, নেইমার যদি বাদ পড়েন, তবে সেটি হবে শুধুই ফিটনেসজনিত কারণে—প্রতিভার অভাবে নয়।
চাটগাঁ নিউজ/এমকেএন





