প্যারাবন নিধন ও অবৈধ পুকুর খনন: মহেশখালীতে ৭ জনের কারাদণ্ড

মহেশখালী প্রতিনিধি: কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার আমাবশ্যাখালী মৌজায় সরকারি প্যারাবন নিধন করে চিংড়িঘের ও লবণ মাঠ তৈরি এবং অবৈধভাবে পুকুর খননের অভিযোগে বন বিভাগের দায়ের করা পৃথক তিন মামলায় সাতজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৪ আগস্ট) মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ইমরান হোসেন এ রায় দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে উপজেলার আমাবশ্যাখালী মৌজায় সরকারি প্যারাবন নিধনের অভিযোগে বন বিভাগ মহেশখালী থানায় ১৩/২৩ নম্বর মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় আদালত তিন আসামিকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—কক্সবাজার শহরের এন্ডারসন রোড এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে এরশাদ উল্লাহ, মহেশখালীর হোয়ানক কেরুনতলী গ্রামের ফেরদৌসের ছেলে ফিরোজ ওয়াহিদ শামীম এবং একই এলাকার মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে আমান উল্লাহ।

একই বছর বন বিভাগের দায়ের করা অপর একটি মামলায় এরশাদ উল্লাহসহ হোয়ানক মোহরাকাটা গ্রামের মহিবুল্লাহর ছেলে মো. শাহাব উদ্দিন এবং কাদের আলীর ছেলে শাহাদৎ কবিরকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, ২০২১ সালে মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের কোহেলিয়া নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবৈধভাবে পুকুর খনন করে পরিবেশের ক্ষতি করার অভিযোগে দায়ের করা ২৮৯/২১ নম্বর মামলায় শাপলাপুর এলাকার ইজ্জত আলীর ছেলে আব্দুস সালামকে এক বছর তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাগুলো পরিচালনা করেন মহেশখালী কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক রানা।

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ফিরোজ ওয়াহিদ শামীম ও শাহাদৎ কবিরকে এক মাসের মধ্যে আপিল করার শর্তে জামিন দিয়েছেন আদালত।

চাটগাঁ নিউজ/সজিব/এমকেএন

Scroll to Top