নগরের জিইসি মোড় থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত প্রধান সড়ক ও আশপাশ এলাকায় সব ধরনের জনসমাবেশ, মিছিল ও সভা-সমাবেশে জারি করা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ।
তিনি বলেন, সন্ধ্যা সাতটা থেকে জিইসি মোড়–দেওয়ানহাট এলাকায় জারি করা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার সকালে সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে ওই এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল ও জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮–এর ৩০ ধারার ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সতর্কতা দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পক্ষ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর শাখা।
এর প্রতিবাদে রোববার সন্ধ্যায় নগরের টাইগার পাস এলাকায় চসিক কার্যালয়ের সামনে ‘জুলাই গ্রাফিতি অঙ্কন’ কর্মসূচি পালন করে দলটি। এর আগে দুপুরে শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়ালসড়কের পিলারে আঁকা জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগ করেন এনসিপির নেতা-কর্মীরা।
তবে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এক বিবৃতিতে বলেন, টাইগারপাস থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত উড়ালসড়কের পিলারে থাকা গ্রাফিতি মুছে ফেলার কোনো নির্দেশনা তিনি দেননি। রোববার রাতে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির নেতা-কর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নেন এবং পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ করেন।





