চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: কোরবানির ঈদ এলেই দেশে দেখা দেয় কসাই সংকট, অতিরিক্ত মজুরি, চামড়া নষ্ট হওয়া এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নানা ভোগান্তি। বিশেষ করে ঈদের প্রথম দিন অতিরিক্ত চাপের কারণে কসাইদের ব্যস্ততা চরমে পৌঁছে যায়। এতে একদিকে যেমন কোরবানিদাতাদের বাড়তি খরচ গুনতে হয়, অন্যদিকে তাড়াহুড়ার কারণে অনেক সময় চামড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পরিবেশ দূষণের ঘটনাও ঘটে।
এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের কার্যকর উপায় হতে পারে ‘দুই পর্বে কোরবানি’ বা দুই দিনে কোরবানির প্রচলন। ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী ঈদের দিন ছাড়াও পরবর্তী দুই দিন কোরবানি করার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে। ফলে সবাই যদি একই দিনে পশু জবাইয়ের চাপ তৈরি না করে, তবে সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
প্রথম দিনের পরিবর্তে দ্বিতীয় বা তৃতীয় দিনে কোরবানি করলে কসাই সংকট অনেকটাই কমে যাবে। এতে কসাইদের ওপর অতিরিক্ত শারীরিক চাপও হ্রাস পাবে এবং মজুরিও তুলনামূলকভাবে সহনীয় থাকবে। পাশাপাশি ধীরস্থিরভাবে পশু জবাই ও চামড়া ছাড়ানোর সুযোগ থাকায় চামড়ার গুণগত মানও ভালো থাকবে।
এছাড়া কোরবানির বর্জ্য অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনায় সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসনের ওপর চাপ কমবে। পরিবেশ দূষণ ও দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিস্তারিত দেখতে সিপ্লাস টিভির ভিডিও লিংকে ক্লিক করুন………………………
চাটগাঁ নিউজ/এসএ/এমকেএন





