চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক : নগরের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যান, খেলার মাঠ, জলাধার ও উন্মুক্ত স্থানগুলোর আধুনিকায়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রায় ৩০১ কোটি টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) চসিকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় একটি কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা প্রস্তাব (ডিপিপি) উপস্থাপন করেন।
প্রস্তাবটিতে রয়েছে- ১১টি মাঠ, ২টি জলাধার, ৩টি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং ৩টি আরবান সড়ক উন্নয়নের প্রস্তাব উঠে আসে। প্রস্তাবিত সম্ভাব্য মাঠের মধ্যে আছে চাক্তাই স্কুল মাঠ উন্নয়ন, ফিরোজ শাহ ঈদগাহ মাঠ উন্নয়ন, ফরেস্ট ইনস্টিটিউট উন্নয়ন, শহীদ শাহজাহান মাঠ (শহীদ ওয়াসিম আকরাম পার্ক সংলগ্ন) উন্নয়ন, হালিশহর এস ক্লাব মাঠ উন্নয়ন (বি ব্লক), হালিশহর হাউজিং এস্টেট মাঠ উন্নয়ন, প্যারেড মাঠ উন্নয়ন (চট্টগ্রাম কলেজ মাঠ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ড চকবাজার), বালুর মাঠ মাদারবাড়ী উন্নয়ন, বাকলিয়া স্টেডিয়াম উন্নয়ন (কর্ণফুলী সেতু সংলগ্ন), সারাইপাড়া ঝর্নাপাড়া মাঠ (১২ নম্বর ওয়ার্ড), আমিন টেক্সটাইল মাঠ (২ নম্বর ওয়ার্ড জালালাবাদ)।
উন্নয়নের জন্য প্রস্তাবিত জলাধার ২টি হল বলুয়ার দীঘি উন্নয়ন এবং মুন্সী বাড়ি পুকুর উন্নয়ন। প্রস্তাবনায় বক্স আলী রোড (৩৯ নম্বর ওয়ার্ড) নয়ারহাট বন্দর এলাকা, পোস্তারপাড় হতে দেওয়ানহাট ওভারব্রিজ পর্যন্ত (২৩ নম্বর ওয়ার্ড) এবং ফিরোজ শাহ মিনারের নিকটবর্তী এলাকা (৯ নম্বর ওয়ার্ড) উন্নয়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ ছাড়া, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উন্নয়নের অংশ হিসেবে আউটার স্টেডিয়াম উন্নয়ন, শহীদ ওয়াসিম আকরাম পার্ক এবং বাটালি পাহাড় উন্নয়নের প্রস্তাব করা হয় সভায়।
সভায় প্রস্তাবটির বিভিন্ন দিক নিয়ে পর্যালোচনা হয়।
চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা বিভিন্ন পরামর্শ দেন। প্রাপ্ত মতামতের আলোকে প্রস্তাবটি সংশোধন করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত হয় সভায়। মেয়র সংশ্লিষ্ট কনসালট্যান্ট ও কর্মকর্তাদের প্রকল্পটি বাস্তবসম্মত, টেকসই এবং নগরবাসীর চাহিদা বিবেচনায় পুনর্বিন্যাসের নির্দেশনা দেন।
সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম দ্রুত বর্ধনশীল একটি মহানগরী। কিন্তু নগরায়ণের চাপে খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান, জলাধার ও সবুজ এলাকার পরিমাণ ক্রমেই কমে যাচ্ছে। শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা, তরুণদের ক্রীড়া চর্চা, প্রবীণদের হাঁটাচলা এবং নাগরিকদের অবসর বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত উন্মুক্ত স্থান নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
তিনি বলেন, আমরা চট্টগ্রামকে শুধু অবকাঠামোগতভাবে নয়, পরিবেশগত ও সামাজিকভাবেও একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও মানবিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সেই লক্ষ্যেই নগরের গুরুত্বপূর্ণ মাঠ, পার্ক, জলাধার ও উন্মুক্ত স্থানসমূহকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন নাগরিক সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চাটগাঁ নিউজ/এসএ





