চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক : খাদ্যপণ্যের গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরীক্ষণ সক্ষমতায় নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) চট্টগ্রামের রসায়ন ল্যাবরেটরি। প্রথমবারের মতো বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ের বাইরে কোনো ল্যাবরেটরি হিসেবে আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন সনদ পেয়েছে চট্টগ্রামের এ রসায়ন ল্যাব।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিবের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের (বিএবি) মহাপরিচালক মোহা. আমিনুল ইসলাম বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হকের কাছে এ অ্যাক্রেডিটেশন সনদ হস্তান্তর করেন।
এ সময় বিএসটিআই ঢাকার পরিচালক (রসায়ন) খলিলুর রহমান, বিএসটিআই চট্টগ্রামের উপপরিচালক (মেট) ও অফিস প্রধান মো. মোমেন উস সাজ্জাদ, উপপরিচালক (রসায়ন) ও কোয়ালিটি ম্যানেজার ইব্রাহিম খলিল এবং সহকারী পরিচালক (রসায়ন) ও ডেপুটি কোয়ালিটি ম্যানেজার ড. খোরশেদ আলম উপস্থিত ছিলেন।
বিএসটিআই চট্টগ্রামের রসায়ন ল্যাবরেটরি আমদানি করা ও দেশীয় খাদ্যপণ্যের মান পরীক্ষায় ভোজ্যতেলের ভিটামিন-এ, রিফ্র্যাকটিভ ইনডেক্স এবং জুস ও সসজাতীয় পণ্যের ব্রিক্স প্যারামিটারে এ আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন পেয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, অ্যাক্রেডিটেশন সনদ পাওয়ায় এসব পণ্যের পরীক্ষণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী পরিচালনার সক্ষমতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে বিএসটিআইয়ের পরীক্ষণ প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতেও সহায়ক হবে। সম্প্রতি বিএসটিআই চট্টগ্রাম কার্যালয় নতুন দশতলা ভবনে স্থানান্তরিত হয়েছে।
এতে পরীক্ষণ ও সেবা কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। নতুন নতুন পণ্য ও পরীক্ষণ প্যারামিটার যুক্ত হওয়ায় চট্টগ্রামে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত অধিকাংশ পণ্যের পরীক্ষণ সুবিধা চালু হয়েছে।
বিএসটিআই চট্টগ্রামের রসায়ন ল্যাবরেটরিতে বর্তমানে এএএস, এইচপিএলসি, জিসি-এমএসএমএস, আইসিপি-এমএস ও এলসি-এমএসসহ আধুনিক বিভিন্ন যন্ত্রপাতি রয়েছে। পাশাপাশি পেট্রোলিয়াম পণ্য পরীক্ষণের জন্য ভিসকোমিটার, ফ্ল্যাশ পয়েন্ট টেস্টার, পোর পয়েন্ট টেস্টার ও ডেনসিটিমিটারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও রয়েছে।
বিএসটিআই চট্টগ্রামের উপপরিচালক (অফিস প্রধান) মো. মোমেন উস সাজ্জাদ বলেন, নতুন পণ্য ও পরীক্ষণ প্যারামিটারকে কার্যক্রমের আওতায় আনার মাধ্যমে দেশের খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিতকরণে বিএসটিআই চট্টগ্রাম আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, এ অর্জনের ফলে পণ্য পরীক্ষণের ক্ষেত্রে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সুবিধা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে খাদ্যপণ্যের নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং নির্ধারিত মানদণ্ড নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চাটগাঁ নিউজ/এসএ





