নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুললেন অলি আহমদ

চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ–সাতকানিয়া আংশিক) আসনে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রার্থী ওমর ফারুক। তিনি এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ-এর ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ভোটের বেসরকারি ফল অনুযায়ী, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ছাতা’ প্রতীকের প্রার্থী ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। ফলে ব্যবধান দাঁড়ায় ১ হাজার ২৬ ভোট।

পরাজয়ের পর শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় অলি আহমদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, হাশিমপুর তরুণ সংঘ স্কুল, হাশিমপুর বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দোহাজারী আবদুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়সহ কয়েকটি কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৪টার পর বহিরাগত লোকজন ঢুকে জোরপূর্বক ব্যালট বাক্সে ভোট প্রদান করে।

অলি আহমদের অভিযোগ, দুপুর আড়াইটা থেকে তিনটার পর তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের কেন্দ্রের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে মারধর করে বের করে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদ একাধিক মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করেন এবং সন্ধ্যার দিকে বড় গাড়িবহর নিয়ে উপজেলা সদরে মিছিল করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত থাকলেও এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

এছাড়া প্রায় সাড়ে চার হাজার ভোট বাতিলের অভিযোগ তুলে অলি আহমদ বলেন, তাঁদের এজেন্টরা আপত্তি জানালেও বাতিলের নির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি। তাঁর ভাষ্য মতে, পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিকল্পিতভাবে প্রভাবিত করা হয়েছে।

তবে সমর্থকদের প্রতি শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো ধরনের সংঘাত বা বিশৃঙ্খলায় জড়ানোর প্রয়োজন নেই। প্রশাসনের উচিত এলাকায় টহল জোরদার করা।

সবশেষে তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন কেবল জয়-পরাজয়ের বিষয় নয়; জনগণের সেবায় তিনি ও তাঁর পরিবার ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবেন।

চাটগাঁ নিউজ/এমকেএন

Scroll to Top