চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গত দেড় মাসে ২৭৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে প্রার্থীর ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে পাঁচটি।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচন ঘিরে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৭৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।
এর মধ্যে নির্বাচন ঘিরে ভীতি দেখানো বা আক্রমণাত্মক আচরণের ঘটনা ঘটেছে ১৬টি, প্রার্থীর ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি, হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ৫টি, প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ৮৯টি এবং অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে তিনটি।
এ ছাড়া হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছে ৯টি, প্রচার কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে ২৯টি, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অফিস ও প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে ২০টি, অবরোধ ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে ১৭টি, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ১টি এবং অন্যান্য ঘটনা ঘটেছে ৭০টি।
বিজ্ঞপ্তিতে বিগত দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে হওয়া সহিংসতার ঘটনার পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়।
প্রেস উইংয়ের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক মাসে (২১ ডিসেম্বর ২০২৩- ১০ জানুয়ারি ২০২৪) ৫৩৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে।
এসব ঘটনায় আহত হন ৪৬০ জন এবং নিহত হন ৬ জন। তখন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে ১০২টি, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে ১১৮টি এবং ককটেল ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ এবং গুলির ঘটনা ঘটে ৩০টি।
২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২২ দিনে (১০ ডিসেম্বর ২০১৮- ২ জানুয়ারি ২০১৯) ৪১৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আহত হন ৭৮০ জন এবং নিহত হন ২২ জন।
ওই সময় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে ২৩৪টি, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে ১৫৫টি এবং ককটেল ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ এবং গুলির ঘটনা ঘটে ১৪৩টি।
২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ১২ দিনে (২২ ডিসেম্বর ২০১৩- ৪ জানুয়ারি ২০১৪) ৫৩০টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আহত হন ৩১৫ জন এবং নিহত হন ১১৫ জন। তবে ওই সময় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ককটেল ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণের কোনো তথ্য দিতে পারেনি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
চাটগাঁ নিউজ/জেএইচ





