অবৈধ সম্পদ অর্জন: একজনের ৪ বছরের কারাদণ্ড

চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় ছাবেরুল ইসলামকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের সমপরিমাণ অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ছাবেরুল ইসলাম আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পরুয়াপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি মোকাররম হোসাইন জানান, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ছাবেরুলকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে অর্জিত অর্থের সমপরিমাণ অর্থদণ্ডও আরোপ করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ছাবেরুল ইসলামের নামে মোট ৯০ লাখ ১১ হাজার ২৩১ টাকার সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়। এর সঙ্গে পারিবারিক ও অন্যান্য খাতে ব্যয় করা ৭ লাখ ৩৫ হাজার টাকা যোগ করলে তার মোট সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৭ লাখ ৪৬ হাজার ২৩১ টাকা।

অন্যদিকে, তার বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস হিসেবে ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এ হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ ৮২ লাখ ৭৬ হাজার ২৩১ টাকা বলে দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে।

এ ছাড়া দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে ২৭ লাখ ৯০ হাজার ২৩১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগও আনা হয় তার বিরুদ্ধে।

মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ছাবেরুল ইসলাম ও তার ভাইয়ের ইয়াবা কারবারে সম্পৃক্ততার বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। পাশাপাশি এলাকায় তাকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হিসেবে পরিচিত বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের সহকারী পরিচালক রতন কুমার দাশের অনুসন্ধানে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর ২০২১ সালে মামলাটি দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার শুরু হয়। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার আদালত ছাবেরুল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করে এ সাজা দেন।

চাটগাঁ নিউজ/এমকেএন

Scroll to Top