চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: মো. মনসুর ও মো. নাছির তারা আপন দুই ভাই। কাজ করতেন সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে অবস্থিত ‘ফেরদৌস শিপইয়ার্ডে’। প্রতিদিনের মতো শুক্রবার সকালেও তাদের বিদায় জানিয়েছিলেন তাদের আদরের তিন কন্যা রূপা, রেশমা ও ইভা। কিন্তু কে জানতো, প্রিয় বাবার সঙ্গে সেটিই হবে তাদের জীবনের শেষ বিদায়!
এখন বাবার ছবি বুকে জড়িয়ে কখনো কান্নায় ভেঙে পড়ছেন, আবার কখনো নির্বাক হয়ে তাকিয়ে থাকছেন শূন্যের দিকে। বাবার সঙ্গে কাটানো আদর-ভালোবাসার স্মৃতিগুলোই বারবার ভেসে উঠছে তাদের চোখের সামনে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো পরিবেশ।
গত শুক্রবার সকালে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে পুরাতন জাহাজ ভাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় নিহত ৯ জনের মধ্যে ছিলেন আপন ওই দুই ভাই মনসুর ও নাছির। শুক্রবারের দুর্ঘটনায় একসঙ্গে দুই ভাইকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে তাদের পরিবার। নিহত মনসুরের দুই মেয়ে রূপা আক্তার ও রেশমা আক্তার এবং নাছিরের মেয়ে আইনুন নাহার ইভা এখন বাবাকে হারানোর শোক বয়ে বেড়াচ্ছেন।
নিহত নাছিরের মেয়ে আইনুন নাহার ইভা বাবাকে হারিয়ে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। যে বাবা ছিলেন তার ভালোবাসা, নিরাপত্তা ও পরিবারের প্রধান আশ্রয়, সেই বাবাই এখন আর ফিরে আসবেন না—এই নির্মম বাস্তবতা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি। বাবার সঙ্গে কাটানো স্মৃতিগুলো মনে করে শোকে কাতর হয়ে পড়ছেন ইভা।
অন্যদিকে, বাবা মনসুরকে হারিয়ে একইভাবে ভেঙে পড়েছেন রূপা আক্তার ও রেশমা আক্তার। বাবার আদর, ভালোবাসা ও স্নেহের স্মৃতিগুলোই এখন তাদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। বাবার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত মনে পড়তেই কান্নায় ভেঙে পড়ছেন দুই বোন। কখনো বাবার ছবি বুকে জড়িয়ে, আবার কখনো নির্বাক হয়ে তাকিয়ে থাকছেন তারা।
বিস্তারিত সিপ্লাস টিভিতে……
চাটগাঁ নিউজ/জেএইচ





