চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক : নগরের চকবাজার এলাকার একটি বাসার তালা ভেঙে প্রায় ছয় ভরি স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় সংঘবদ্ধ চোরচক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৫ আগস্ট) তাদের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ড্রিমল্যান্ড আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাটহাজারীর আমান বাজারের একটি জুয়েলারি দোকান থেকে চোরাই স্বর্ণ গলিয়ে তৈরি করা ১২টি আংটি, ছয় জোড়া কানের দুল ও দুটি স্বর্ণের চেইন উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন- মো. রহমত ওরফে হাসান (২৯) ও সাজ্জাদ হোসেন ওরফে অর্পূ (২৭)।
তাদের মধ্যে রহমত কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের মৃত আমির হামজার ছেলে। সাজ্জাদ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পশ্চিম চাম্বল এলাকার মৃত মিজানের ছেলে। দুইজনই ড্রিমল্যান্ড আবাসিক এলাকায় থাকেন।
পুলিশ জানায়, চকবাজার থানাধীন ডিসি রোডের কালাম কলোনির হক ম্যানশনের নিচতলায় এরফানুল হকের বাসায় গত ২৬ জুলাই চুরির ঘটনা ঘটে। বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে চোরচক্রের সদস্যরা প্রধান দরজার তালার হুক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে প্রায় ছয় ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। চুরি হওয়া স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় ২৯ জুলাই চকবাজার থানায় মামলা করা হয়। পরে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার শতাধিক সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে রহমত ও সাজ্জাদকে শনাক্ত করা হয়। অবশেষে ১৫ আগস্ট বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ড্রিমল্যান্ড আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাটহাজারীর আমান বাজারের বিএন জুয়েলার্সে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে দোকান মালিকের উপস্থাপন করা চোরাই স্বর্ণ গলিয়ে তৈরি করা ১২টি স্বর্ণের আংটি, ছয় জোড়া কানের দুল ও দুটি স্বর্ণের চেইন উদ্ধার করা হয়।
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই স্বর্ণ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তারা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধভাবে চুরির সঙ্গে জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে। চক্রের অন্য সদস্যদেরও শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
চাটগাঁ নিউজ/এসএ





