‘চুক্তিতে পৌঁছাতে ‘বড্ড দেরি করেছে’ ইরান, এখন মাশুল দিতে হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের নেতৃত্বের ওপর তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, তেহরানের নেতারা আসলে ‘সবকিছুই কেবল মুখে বলেন’ (কাজ কিছু করেন না)।

নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লিখেছেন, “ইরানের সামরিক বাহিনী সম্পূর্ণ এবং পুরোপুরি বিপর্যস্ত। তাদের নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর মতো প্রধান শাখাগুলোর এখন আর কোনো অস্তিত্বই নেই—তারা পুরোপুরিভাবে পরাজিত হয়েছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “ইরান শুধু মুখেই কথা বলে, কোনো পদক্ষেপ নেয় না। মধ্যপ্রাচ্যের সেই ‘ত্রাস’ এখন মৃত! একটি চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে তারা অনেক বেশি সময় নষ্ট করে ফেলেছে, যা তাদের নিজেদের জন্যই অত্যন্ত চমৎকার হতে পারত। এখন তাদের এর চড়া মাশুল দিতে হবে!”

পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত একজন কূটনীতিকের বরাত দিয়ে মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজের আন্তর্জাতিক সংবাদদাতা ট্রে ইয়ংস্ট জানিয়েছেন, চলমান আলোচনা প্রক্রিয়ার অবশিষ্ট মতপার্থক্যগুলো দূর করার প্রচেষ্টায় (যুক্তরাষ্ট্র সময়) মঙ্গলবার সকালে কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা তেহরান সফর করেন এবং ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। ঠিক এরমধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে এই কড়া হুঁশিয়ারি এল।

এর আগে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘অ্যাপাচি’ হেলিকপ্টার গানশিপ্প ভূপাতিত করার জেরে ইরানে আবার হামলা চালায় মার্কিন সামরিক বাহিনী। জবাবে বাহরাইন, কুয়েত এবং জর্ডানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে পাল্টা হামলা চালায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

পাল্টাপাল্টি এসব হামলার ঘটনায় দুই দেশের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এবং একটি সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির ভবিষ্যৎ এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে।

চাটগাঁ নিউজ/জেএইচ

Scroll to Top