চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক কেন্দ্র আগ্রাবাদে একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের কয়েকটি শাখায় তালা দিয়েছেন ভুক্তভোগী আমানতকারীরা।
সোমবার (৪ মে) সকাল ১১টার দিকে কয়েকশ আমানতকারী মিছিল নিয়ে এসে প্রথমে এক্সিম ব্যাংকে তালা দেন। এরপর ইউনিয়ন ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি শাখায় তালা দেন।
এ সময় তাঁরা ‘আমার টাকা ব্যাংকে, আমি কেন রাস্তায়’, ‘তুমি কে আমি কে, আমানতকারী আমানতকারী’, ‘হেয়ার কাট হেয়ার কাট, মানি না মানি না’, ‘আমানত নিয়ে টালবাহানা, চলবে না চলবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

পরে বিক্ষোভ মিছিল করেন আমানতকারীরা। এ সময় পর্যাপ্ত পুলিশ ছিল ঘটনাস্থলে।
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক জুবিলী রোড শাখার আমানতকারী জয়া চৌধুরী বলেন, আমি হেয়ার কাট মানি না। আমাদের টাকা ফেরত দেন।
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক কাজির দেউড়ি শাখার আমানতকারী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জন করা টাকা ব্যাংকে রেখে কি অপরাধ করেছি? আমার টাকা আমি ফেরত নেব, তাতে আবার হেয়ার কাট কিসের? আমাদের টাকা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। কোনো তালবাহানা চলবে না।’

ব্যবসায়ী নুরুল আমিন বলেন, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকে আমার অর্ধকোটি টাকা আটকে আছে। তারা এক টাকাও দিচ্ছে না। ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আমার প্রায় এক কোটি টাকা জমা ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংকে। এখন পথের ভিখারি হয়ে গেলাম।
আন্দোলনকারীরা জানান, নিয়ম অনুযায়ী তাঁরা সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন। এখন শাখায় শাখায় তালা ঝোলানো কর্মসূচি চলছে। সামনে বড় কর্মসূচি আসবে।

ইউনিয়ন ব্যাংক আগ্রাবাদ শাখার ব্যবস্থাপক কায়সারুল আলম বলেন, সব গ্রাহক এক সঙ্গে টাকা তুলতে আসলে টাকা দেওয়া তো সম্ভব না। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আমার স্বাভাবিক লেনদেন চলছে, আন্দোলনের কারণে তো স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
চাটগাঁ নিউজ/এমকেএন






