চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: গ্যাস সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে নগরীর বিভিন্ন রুটে বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ এখন প্রতিদিনের ঘটনা। বিশেষ করে, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও গণপরিবহনে নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ করছেন যাত্রীরা। এমনকি গ্যাস সংকট চললেও ডিজেল ও তেলচালিত যানবাহন এবং মাহিন্দ্র-টিকটিকিতেও নেওয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। এ নিয়ে নিত্যদিন চলে যাত্রী-চালকের বাকবিতণ্ডা!
তবে পরিবহন চালকরা বলছেন, গ্যাস সংকটের কারণে গাড়ি চালাতে গিয়ে তাদেরও বাড়তি ভোগান্তি ও খরচের মুখে পড়তে হচ্ছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ—বিআরটিএ কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নতুন করে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কে এসব অরাজকতা চললেও তা নিয়ে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি এসব তদারকি সংস্থাগুলোর। যা নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
এদিকে, সাম্প্রতিক সংকটের কারণ হিসেবে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে কারিগরি ত্রুটির কথা বলছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। পেট্রোবাংলার হিসাবে, দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ থেকে ৪০০ কোটি ঘনফুট। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সরবরাহ ২২২ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুটের মধ্যে ওঠানামা করছে। অর্থাৎ দৈনিক ঘাটতি থাকছে প্রায় ১১০ থেকে ১৫৮ কোটি ঘনফুট।
বর্তমান সংকট সামাল দিতে সরকার মহেশখালীতে নতুন একটি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। চীনা কোম্পানি সিএনইসিকে কাজ দেওয়ার বিষয়টি অনুমোদিত হলেও চুক্তি এখনো সই হয়নি। চুক্তি সই হলে প্রায় ২২ মাসের মধ্যে টার্মিনাল নির্মাণ শেষ করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
অর্থাৎ দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ হলেও নতুন টার্মিনাল থেকে গ্যাস পেতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন আরও কমে গেলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিস্তারিত সিপ্লাস টিভিতে………
চাটগাঁ নিউজ/জেএইচ





