সীতাকুণ্ডে হত্যার মামলায় মা-ছেলের দণ্ড

চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক : সীতাকুণ্ড থানার সুরেশ দাশ হত্যা মামলার প্রায় ১৭ বছর পর প্রধান আসামি সুব্রত দাশকে যাবজ্জীবন এবং তার মা ববিতা রানী দাশকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

শনিবার (২৩ মে) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত দায়রা জজ চতুর্থ নাজমুল হোসেন চৌধুরীর আদালত এই রায় দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী কানু দেব জানান, ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে সুরেশ দাশ হত্যা মামলায় সন্দেহাতীতভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি সুব্রত দাশকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার মা ববিতা রানী দাশকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায়ের সময় আসামি সুব্রত দাশ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর ববিতা রানী দাশ অনুপস্থিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৩১ আগস্ট সীতাকুণ্ড থানার কুমিরা জেলে পাড়ায় আসামিদের খালি জায়গায় প্রস্রাব করাকে কেন্দ্র করে সুরেশ দাশের সঙ্গে ববিতা রানী দাশের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ববিতা তাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করেন এবং ছেলে সুব্রত দাশকে ডাকেন। পরে সুব্রত দাশ ধারালো চাকু দিয়ে সুরেশ দাশের পেটে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী কৃষ্ণা দাশ সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দিলে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়।

চাটগাঁ নিউজ/এসএ

Scroll to Top