চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী গণসংযোগ ও প্রচারে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়ন ও দক্ষিণ জয়নগরে থেমে থেমে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বোরহানউদ্দিনের নির্বাচনী মাঠ।
স্থানীয়রা জানায়, গণসংযোগ ও প্রচার প্রচারণায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ দুটি দল মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে জনমনে। গত এক সপ্তাহে উভয় দলের সমর্থকদের মধ্যে কমপক্ষে পাঁচটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলেও জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দুই দলের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর পাঁচজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ নিয়ে উভয়পক্ষের সমর্থকরা একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা পাল্টি অভিযোগ তুলেছেন।
ভোলা-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী মাওলানা ফজলুল করীম জানান, গণসংযোগ করতে গেলে বিএনপি সমর্থকরা বোরহানউদ্দিনের পক্ষিয়া, হাসনাগর, দৌলতখানের মেদুয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। এতে দলের ৩০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বোহানউদ্দিন থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে একই আসনের বিএনপি প্রার্থীর ব্যক্তিগত সহকারী কাজী ইকবাল হোসেন বলেন, এসব হামলার সঙ্গে বিএনপির কেউ জড়িত নন। জামায়াত উসকানি দিয়ে পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে।
এদিকে জামায়াত নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা ও বাধা দেওয়ার ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বোরহানউদ্দিন থানা চত্বরে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে জামায়াত সমর্থকরা। এ সময় তারা প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, কোথায়ও কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। কেউ এখনও আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ দেয়নি।
চাটগাঁ নিউজ/জেএইচ






