চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমান। তিনি বলেছেন, রাজনীতি কেবল ক্ষমতা বা নেতৃত্বের বিষয় নয়; মানুষের কল্যাণে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করাই সংসদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে নগরের একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি জানান, নিজের জীবন, পরিবার ও সম্পদের একটি বড় অংশ ব্যয় করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা তিনি তার সেবামূলক জীবনের প্রথম ও প্রধান অবদান হিসেবে দেখেন।
নিজের পিতা সাবেক মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল নোমানের উন্নয়নমূলক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, কর্ণফুলী তৃতীয় সেতু নির্মাণ, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড প্রতিষ্ঠা, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে কলেজ স্থাপন, ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকাশ, স্টেডিয়াম উন্নয়ন, জমিয়াতুল ফালাহ ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ কাজে তার পিতা নীরবে অবদান রেখেছেন।
তিনি বলেন, আমার পিতা শুধু গণমানুষের নেতা ছিলেন না, তিনি কাজের মাধ্যমে উন্নয়নের দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। এখন সময় এসেছে নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় কার্যকর অবদান রাখার যোগ্যতা ও সম্ভাবনা নিয়ে ভাবার।
চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, জেনারেল হাসপাতালের বর্তমান সক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। এটিকে আধুনিকায়নের পাশাপাশি মেডিকেল কলেজে রূপান্তরের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম-১০ আসনের পাহাড়তলী, খুলশী ও হালিশহর এলাকায় সরকারি হাসপাতালের অভাব প্রকট।
তিনি জানান, খুলশীতে কিছু বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান থাকলেও হালিশহর ও পাহাড়তলীতে কোনো সরকারি হাসপাতাল নেই। দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ উন্নত বেসরকারি শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা নিতে সক্ষম নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, চিকিৎসাকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
হালিশহর ও পাহাড়তলী এলাকায় বৃহৎ পরিসরে সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে সাঈদ আল নোমান বলেন, এতে শুধু সংশ্লিষ্ট এলাকা নয়, পুরো চট্টগ্রামের মানুষ উপকৃত হবে এবং স্বাস্থ্যখাতে টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
চাটগাঁ নিউজ/এমকেএন







