চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই পরবর্তী প্রশাসনের সময়কালে বিভিন্ন পদে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত হয়ে আসছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এবার সরাসরি মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে অভিযান চালিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে একটি টিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে অভিযান শুরু করে।
দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপপরিচালক সুবেল আহমেদ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষক ও কর্মচারী মিলিয়ে মোট ১১৩ জনকে নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নিয়োগপ্রাপ্তদের তালিকায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খানের মেয়ে মহিরা খান প্রভাষক পদে নিয়োগ পান। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সাইফুল ইসলামের ভাই মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুমকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়—যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইইই, প্রাণিবিদ্যা, এইচআরএমসহ মোট ৯টি বিভাগে ৪৪ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ১০০ জন কর্মচারী এবং ৯ জন কর্মকর্তাকে নিয়োগের সুপারিশ সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদন করা হয়।
চাটগাঁ নিউজ/এমকেএন







