চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: দিন দিন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক। নামে মহাসড়ক হলেও এটি লোকাল সড়কের মতো পাঁচমিশালী সড়ক, যেখানে তিন চাকার অটোরিকশা থেকে শুরু করে চলে ভারী যানবাহন। এছাড়া এই সড়কের পটিয়া, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও চকরিয়া অংশে রয়েছে অসংখ্য বাঁক যা এই সড়কের নিত্য দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
অথচ উন্নত বিশ্বের মহাসড়কগুলো একদিকে যেমন নান্দনিক করা হয় তেমনি সোজা বা সমান্তরাল রাখা হয় গাড়ি চালানোর সুবিধার্থে। এছাড়া মহাসড়কে দ্রুত গতির যানবাহন ছাড়া কম গতির যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ যেন সব সম্ভবের দেশ। তাইতো এদেশে ঈদ আসলেই পাল্লা দিয়ে বাড়ে সড়ক দুর্ঘটনা।
গত ৩১ মার্চ (সোমবার) ঈদের দিন, এবং ২ এপ্রিল (বুধবার) ঈদের ৩য় দিন লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি অভয়ারণ্যের জাঙ্গালিয়া নামক স্থানে পর পর দুইটি বড় সড়ক দুর্ঘটনা নাড়িয়ে দেয় সারাদেশকে। যে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ১৬ জন। আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন আরো অন্তত ১৫ জন।
এরপর থেকেই মূলত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক। যেটি ৬ লেনে উন্নীত করতে প্রতিদিনই সভা-সমাবেশ ও আন্দোলন করছেন দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষ। তবে এই সড়কটিকে ৪ লেন বা ৬ লেন করতে গেলে রয়েছে নানাবিধ সমস্যা। যে সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো— অত্যাধিক বিপদজনক বাঁক। এছাড়াও রয়েছে অতিরিক্ত মৌজা রেট যা ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতা তৈরী করতে পারে, বাড়াতে পারে খরচ।
এর বিকল্প হিসেবে কক্সবাজার রেললাইনের দুইপাশ ঘেঁষে যদি একটি নান্দনিক হাইওয়ে বা মহাসড়ক নির্মাণ করা যায় তবে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যেতে একদিকে যেমন দূরত্ব কমবে তেমনি বাঁচবে খরচ ও সময়। পাশাপাশি যাত্রা হবে নিরাপদ এবং ভ্রমণ হবে আনন্দদায়ক।
বিস্তারিত দেখুন সিপ্লাস ভিডিওতে……
চাটগাঁ নিউজ/জেএইচ