চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দ্বিতীয় কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ভবনের নির্মাণকাজে ৭৫ কোটি টাকার অনিয়ম, প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে মো. গোলাম কিবরিয়া শামীম প্রকাশ জিকে শামীমের বিরুদ্ধে মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক ফখরুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমানের আদালতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।
এর আগে গত ২০ আগস্ট অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়েছিল।
দুদকের পিপি রেজাউল করিম রনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দ্বিতীয় কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ভবনের নির্মাণকাজে ৭৫ কোটি টাকার অনিয়ম, প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে মো. গোলাম কিবরিয়া শামীম প্রকাশ জিকে শামীমের বিরুদ্ধে মামলার বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১১ অক্টোবর মামলার পরবর্তী সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ একাডেমিক ভবনের (দ্বিতীয় কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ) দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজের দরপত্রে জিকে শামীমের প্রতিষ্ঠান জিকেবি অ্যান্ড কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেড যৌথ উদ্যোগে অংশ নেয়।
দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ১০ বছরের সাধারণ নির্মাণ অভিজ্ঞতা, নির্ধারিত মূল্যের বহুতল ভবন নির্মাণের অভিজ্ঞতা ও নির্ধারিত টার্নওভার জিকে শামীমের প্রতিষ্ঠানের নিজস্বভাবে ছিল না। তবে কার্যাদেশ পাওয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে তার পূর্ববর্তী একক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এম/এস জি কে বিল্ডার্সের অভিজ্ঞতা ও টার্নওভারকে জিকেবি অ্যান্ড কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেডের অভিজ্ঞতা ও টার্নওভার হিসেবে দেখানো হয়।
যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে নিবন্ধিত প্রকৃত নথির পরিবর্তে দরপত্রের সঙ্গে জাল ও অসত্য মেমোরেন্ডাম অ্যান্ড আর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশন দাখিল করা হয়। ওই নথিতে পূর্ববর্তী একক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে নতুন কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত করার তথ্য দেখানো হয় এবং শেয়ারের সংখ্যাতেও অসঙ্গতি রাখা হয়। এসব জাল ও অসত্য নথি ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত আইনগত অবস্থান ও যোগ্যতা গোপন করা হয়। এর মাধ্যমে দরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে প্রতারণার মাধ্যমে ৭৫ কোটি ১ লাখ ২৯৫ টাকা মূল্যের নির্মাণকাজের কার্যাদেশ নেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর কার্যসম্পাদন চুক্তি সম্পাদিত হয়।
চাটগাঁ নিউজ/এসএ





