চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে ধর্ষণের মামলায় পারভেজ মো. আবুল কালামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু হানিফ এ রায় দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ইফতেখার মাহমুদ।
মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই দিবাগত রাতে চকরিয়া পৌরসভার একটি ভাড়া বাসায় চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন পারভেজ। এ সময় বাসায় থাকা এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দুটি মুঠোফোন ও নগদ টাকা নিয়ে যান তিনি। পরে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার সময় তার স্বামী পুলিশ সদস্য কর্মস্থলে ছিলেন।
ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তির সহায়তায় পারভেজকে শনাক্ত করে পুলিশ। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগী নারীও তাকে শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় ধর্ষণ, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে মামলা করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত ধর্ষণের অভিযোগে পারভেজকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
দণ্ডপ্রাপ্ত পারভেজ মো. আবুল কালাম চকরিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মগবাজার খামারপাড়া এলাকার মৃত মেহের আলীর ছেলে। তবে তিনি বান্দরবানের লামা উপজেলার ইয়াংছা বাজার এলাকার মেম্বার পাড়ায় ফজলু মিয়ার বাড়িতে বসবাস করতেন।
চাটগাঁ নিউজ/এমকেএন





