গ্যাস সংকটের দোহাই দিয়ে তেলচালিত গাড়িতেও বাড়তি ভাড়া!

নাঈমুর রহমান: সকাল থেকে টানা বৃষ্টি। নগরীর বিভিন্ন সড়কে তৈরি হয় জলাবদ্ধতা। বৃষ্টির পানি নেমে গেলেও কমেনি মানুষের ভোগান্তি। এর মধ্যেই সিএনজি অটোরিকশার পাশাপাশি তেলচালিত গাড়িতেও নেওয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়া!

যাত্রীদের অভিযোগ, বিভিন্ন সংকটের অজুহাতে বারবার বাড়ানো হচ্ছে গাড়ি ভাড়া। কোথাও ৫ টাকার ভাড়া বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে ১০ টাকা। তাদের প্রশ্ন—গ্যাসের দাম না বাড়লেও কেন বাড়তি ভাড়া দিতে হবে?

মো. কমর উদ্দিন নামে এক যাত্রী বলেন, আমাদের আয় তো বাড়েনি। কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতে গাড়ি ভাড়া ঠিকই বাড়ানো হচ্ছে। এতে দৈনন্দিন খরচের সঙ্গে যাতায়াত ব্যয় আর সামঞ্জস্য থাকছে না।

আরেক যাত্রী রাজিয়া সুলতানা জানান, চালকদের কাছে অনেকটা জিম্মি হয়ে পড়েছেন তারা। প্রয়োজনের কারণে বাড়তি ভাড়া দিতে না চাইলেও অনেক সময় গাড়িতে উঠতে পারছেন না। তাছাড়া বাড়তি ভাড়া নিলেও তারা গন্তব্যে পৌঁছে না দিয়ে অর্ধেক পথে নামিয়ে দিচ্ছে।

যাত্রীদের দাবি, গ্যাস সংকট থাকলে তার প্রভাব সিএনজি চালকদের ওপর পড়তে পারে। কিন্তু তেলচালিত গাড়িতেও একইভাবে বাড়তি ভাড়া নেওয়া কতটা যৌক্তিক?

তবে চালকদের বক্তব্য, বৃষ্টির কারণে স্বাভাবিকভাবে গাড়ি চলাচল করতে পারেনি। কমে গেছে ট্রিপ। পাশাপাশি সিএনজি চালকদের ভোগাচ্ছে গ্যাস সংকট। ফলে আগের তুলনায় আয় কমে যাওয়ায় বাড়তি ভাড়া না নিলে খরচ পোষানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

আবদুর রহিম নামে এক সিএনজি চালক বলেন, ‘গ্যাসের জন্য অনেক সময় লাইনে থাকতে হয়, ট্রিপও কমে গেছে। এতে আয় কম হচ্ছে। তাই কিছুটা বাড়তি ভাড়া না নিলে আমাদের খরচ চালানো কঠিন।’

চালকদের যুক্তি একদিকে, আর যাত্রীদের বাড়তি ভাড়া নিয়ে ক্ষোভ অন্যদিকে। তবে সাধারণ যাত্রীদের প্রশ্ন—গ্যাস সংকট, ট্রিপ কমে যাওয়া কিংবা পরিবহন খরচের প্রভাবের পুরোটা কেন তাদের ঘাড়ে পড়বে?

বৃষ্টির ভোগান্তির পর এখন বাড়তি ভাড়ার চাপ—সব মিলিয়ে চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতেও বাড়ছে খরচ।

বিস্তারিত সিপ্লাস টিভিতে……

চাটগাঁ নিউজ/জেএইচ

Scroll to Top