২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ল ‘এমটি ইউয়ান জিং হে’

চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে ‘এমটি ইউয়ান জিং হে’ নামে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে ভিড়েছে। এলপিজি ও এলএনজি নিয়ে চট্টগ্রামের বহির্নোঙরে অবস্থান করছে আরো দু’টি জাহাজ।

আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে ডিজেল নিয়ে ‘এমটি ইউয়ান জিং হে’ জাহাজটি বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভিড়ানো হয়। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এটি চট্টগ্রাম বন্দরে ডিজেল নিয়ে আসা নবম জাহাজ। এছাড়া আজ রাতে ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ নামের মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আরেকটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছাবে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে আসা চীনের পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমটি ইউয়ান জিং হে’ জেটিতে ভিড়ানো হয়েছে। আজ (৩ এপ্রিল) বেলা ২টায় বিপিসির কর্মকর্তারা জাহাজটি পরিদর্শন করেন।

এদিকে, এলপিজি ও এলএনজি নিয়ে আসা আরো দু’টি বড় জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহিনোর্ঙরে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পাইপলাইনে থাকা তেল ও গ্যাসের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে বিকল্প উৎস থেকেও পর্যাপ্ত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, ‘ইয়ান জিং হে’ জাহাজটি ইতোমধ্যে জেটিতে অবস্থান করছে এবং দ্রুত খালাসের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, শুক্রবার রাতেই ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ নামের মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন গ্যাস অয়েল (ডিজেল) নিয়ে আরেকটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছাবে।

জাহাজ দুটির শিপিং এজেন্ট প্রাইডের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ইয়ান জিং হে সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেল এনেছে।অপরদিকে ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে রাতে পৌঁছাবে।’

এছাড়া ইউনাইটেড শিপিং এজেন্সির ‘গ্যাস জার্নি’ নামের একটি এলপিজি বহনকারী জাহাজ চীন থেকে শনিবার (৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ মাসে জ্বালানি নিয়ে মোট ৩৩টি জাহাজ বন্দরে ভিড়েছে। এর মধ্যে ১৫টি বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল, আটটি এলএনজি এবং নয়টি এলপিজি বহনকারী জাহাজ ছিল।

জ্বালানির ধারাবাহিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় ভবিষ্যতেও বিকল্প উৎস থেকে আমদানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

চাটগাঁ নিউজ/জেএইচ

Scroll to Top