নিজস্ব প্রতিবেদক : নদী, পাহাড় ও সাগরকে ঘিরে পরিকল্পিত নগরায়ন, মূল শহরের ওপর জনসংখ্যার চাপ কমাতে নতুন শহর, শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রের বিকেন্দ্রীকরণ, জলাধার ও পাহাড় সংরক্ষণ—এমন বহুমাত্রিক লক্ষ্য সামনে রেখে চট্টগ্রামের চতুর্থ মহাপরিকল্পনার খসড়া তৈরি করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। ২০২৫-২০৫০ মেয়াদের এই ২৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনায় ‘ওয়ান সিটি, টু টাউন’ বা ‘এক নগরী, দুই শহর’ ধারণাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কর্ণফুলী নদীর দুই পাড়কে সমন্বিতভাবে উন্নয়নের আওতায় এনে চট্টগ্রামকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও বাণিজ্যিক মহানগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
সিডিএর নতুন পরিকল্পনাকে ঘিরে ‘সাংহাইয়ের আদলে চট্টগ্রাম’ কথাটি সামনে এসেছে মূলত কর্ণফুলী নদীর দুই তীরে সমন্বিত নগরায়নের ধারণা থেকে। এর আগে ২০২৩ সালে প্রকাশিত সিডিএর খসড়া পরিকল্পনায় চট্টগ্রামকে চীনের সাংহাই কিংবা তুরস্কের ইস্তাম্বুলের মতো নদীকেন্দ্রিক ‘ওয়ান সিটি, টু টাউন’ হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছিল। নদীর দুই তীরে স্যাটেলাইট টাউন ও শিল্পাঞ্চল গড়ে মূল নগরের ওপর চাপ কমানোর পরিকল্পনাও তখন সামনে আসে।
১ হাজার ২৫৫ বর্গকিলোমিটারজুড়ে পরিকল্পনা
সিডিএর চতুর্থ মহাপরিকল্পনার আওতা প্রায় ১ হাজার ২৫৫ বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পুরো এলাকা, আশপাশের পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকা এবং ভবিষ্যতে নগরায়নের সম্ভাবনাময় অঞ্চল রয়েছে। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে পরিকল্পনাটি প্রণয়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে।
চট্টগ্রামের প্রথম মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছিল ১৯৬১ সালে। এরপর ১৯৯৫ সালে দ্বিতীয় মহাপরিকল্পনা এবং ২০০৮ সালে ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) করা হয়। দীর্ঘদিন পর নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবার ২৫ বছর মেয়াদি চতুর্থ মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
‘এক নগরী, দুই শহর’
নতুন পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধারণা ‘ওয়ান সিটি, টু টাউন’। অর্থাৎ কর্ণফুলীর দুই পাড়কে বিচ্ছিন্ন নগর হিসেবে না দেখে একটি সমন্বিত মহানগর কাঠামোর অংশ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এর লক্ষ্য হলো বর্তমান চট্টগ্রাম শহরের ওপর অতিরিক্ত জনসংখ্যা, যানবাহন ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের চাপ কমিয়ে আশপাশের এলাকাগুলোতে পরিকল্পিত নগর ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে দেওয়া।
এরই অংশ হিসেবে আনোয়ারা, পটিয়া ও হাটহাজারীকে কেন্দ্র করে তিনটি স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার প্রস্তাব রয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষায়িত শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র গড়ে তোলার মাধ্যমে নগরের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এর আগে বৃহত্তর খসড়া পরিকল্পনায় কর্ণফুলীর দুই তীরে ১১টি স্যাটেলাইট টাউন ও ছয়টি শিল্পাঞ্চলের ধারণা সামনে এসেছিল। প্রস্তাবিত স্যাটেলাইট টাউনগুলোর মধ্যে ছিল হাটহাজারী, মদুনাঘাট, কুমিরা, রাউজান, গহিরা, পাহাড়তলী, বোয়ালখালী, পটিয়া, আনোয়ারা, রাঙ্গাদিয়া ও শিকলবাহা। শিল্পাঞ্চলের জন্য সীতাকুণ্ড, আনোয়ারা, কর্ণফুলী, বোয়ালখালী, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন এলাকাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল।
প্রায় ৪০ হাজার জলাধার রক্ষার উদ্যোগ
চট্টগ্রামের পাহাড়, নদী, খাল ও জলাশয় রক্ষাকে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। খসড়া মহাপরিকল্পনায় পরিকল্পনা এলাকার প্রায় ৪০ হাজার পুকুর ও অন্যান্য জলাধার চিহ্নিত করে সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু নগর এলাকায় প্রায় ৪ হাজার ৬০০ পুকুর রয়েছে। প্রথমবারের মতো এসব জলাধারের ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে গত কয়েক দশকে চট্টগ্রামের বহু পাহাড় কাটা এবং জলাশয় ভরাট হয়েছে। এর ফলে জলাবদ্ধতা, পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা ও নগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধিসহ নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় পাহাড় ও জলাধারের ডিজিটাল নথি সংরক্ষণ, পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় ভূমি ব্যবহার নির্ধারণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় আধুনিক ড্রেনেজ
চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের প্রধান নগর সমস্যা জলাবদ্ধতা। নতুন মহাপরিকল্পনায় তাই ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল পুনরুদ্ধার ও পানি নিষ্কাশনকে অন্যতম অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।পরিকল্পনায় খাল সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব রয়েছে। বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন, প্রাকৃতিক জলপ্রবাহের পথ রক্ষা এবং জলাধার সংরক্ষণের মাধ্যমে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে ভূমিকম্পের ঝুঁকিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মাটির তরলীকরণ বা লিকুইফেকশন ঝুঁকির মানচিত্র তৈরির কথা বলা হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে কোথায় কী ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে, সে বিষয়ে ভূমির ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনার সুযোগ তৈরি হবে।
ছয় প্রশাসনিক অঞ্চলে বিকেন্দ্রীকরণ
নগরের উন্নয়নকে শুধু কেন্দ্রীয় চট্টগ্রামে সীমাবদ্ধ না রেখে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দিতে মহানগর এলাকাকে ছয়টি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করার প্রস্তাব রয়েছে। এতে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিকেন্দ্রীকরণ হবে এবং কেন্দ্রীয় এলাকার ওপর চাপ কমবে বলে আশা করছে সিডিএ।
এ ছাড়া আনোয়ারা, বাকলিয়া ও আগ্রাবাদের জন্য পৃথক ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও পরিবেশ সংরক্ষণ এলাকার ব্যবহার আরও নির্দিষ্ট করার সুযোগ তৈরি হবে।
থাকছে বড় পার্ক ও উন্মুক্ত স্থান
নগরের সবুজ ও উন্মুক্ত স্থান রক্ষায়ও পরিকল্পনায় নতুন ধারণা রয়েছে। দুই থেকে তিনটি বড় পার্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব করা হয়েছে, যেগুলো জাতীয় উদ্যানের আদলে পরিকল্পিত হতে পারে। পাশাপাশি জাতীয় কবরস্থানের আদলে একটি সংরক্ষিত কবরস্থান এবং কেন্দ্রীয় ঈদগাহের জন্য জায়গা রাখার প্রস্তাব রয়েছে।
পরিকল্পনাবিদদের মতে, পাহাড় ও জলাধার ধ্বংস করে শুধু ভবন ও সড়ক নির্মাণ করলে চট্টগ্রাম বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। তাই নতুন মহাপরিকল্পনায় উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে একই কাঠামোর মধ্যে আনার চেষ্টা করা হয়েছে।
জমি ব্যবস্থাপনায় নতুন কৌশল
মহাপরিকল্পনায় শুধু রাস্তা বা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনাই নয়, ভূমি ব্যবস্থাপনার নতুন পদ্ধতিও রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ট্রান্সফার অব ডেভেলপমেন্ট রাইটস (টিডিআর), ল্যান্ড পুলিং, গাইডেড ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং ল্যান্ড রিঅ্যাডজাস্টমেন্ট। এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে অপরিকল্পিতভাবে জমি ভাগ হয়ে যাওয়া ঠেকিয়ে বড় পরিসরে পরিকল্পিত নগরায়নের সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্য রয়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নে সমন্বয়ের ওপর জোর
চট্টগ্রামের উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘদিনের একটি বড় অভিযোগ হলো—বিভিন্ন সরকারি সংস্থা নিজেদের মতো করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। ফলে একটি সংস্থার প্রকল্পের সঙ্গে অন্য সংস্থার প্রকল্পের সমন্বয় না থাকায় যানজট, জলাবদ্ধতা কিংবা সড়ক খোঁড়াখুঁড়ির মতো সমস্যা তৈরি হয়।
নতুন মহাপরিকল্পনে এ সমস্যা মোকাবিলায় নগর ও নগরের বাইরের এলাকার জন্য পৃথক সমন্বয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এসব কমিটি বিভিন্ন প্রকল্প মহাপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, নির্ধারিত অগ্রাধিকার অনুযায়ী হচ্ছে কি না এবং নির্দিষ্ট সময়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না—তা তদারক করবে।
তিন ধাপে বাস্তবায়ন
২৫ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনাকে একসঙ্গে বাস্তবায়ন না করে ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী বাস্তবায়ন পর্যায়গুলো হলো ২০২৬-২০৩৫, ২০২৬-২০৪০ এবং ২০৪১-২০৫০। প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ও সম্ভাব্য অর্থায়নের উৎসও চিহ্নিত করার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রথম ধাপে জরুরি অবকাঠামো ও নগর ব্যবস্থাপনার কাজ, পরবর্তী ধাপে বৃহৎ আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং শেষ ধাপে দীর্ঘমেয়াদি নগর কাঠামো বাস্তবায়নের সুযোগ থাকবে।
আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে নগরের মানচিত্র
এবারের পরিকল্পনায় তথ্য সংগ্রহেও প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। ড্রোন ও মাঠপর্যায়ের জরিপের মাধ্যমে ভবনের উচ্চতা, কাঠামো, ভূমির ব্যবহারসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) নগর মানচিত্র তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ধরনের ডিজিটাল ডাটাবেজ ভবিষ্যতে ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, ভবনের উচ্চতা নির্ধারণ, অবকাঠামো পরিকল্পনা, জনঘনত্ব ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
৬০ দিনের জনমত
খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রকাশের পর সাধারণ নাগরিক, প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সিডিএ। ২০২৬ সালের ২ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০ দিনের মধ্যে মতামত, আপত্তি ও সংশোধনী প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এরপর এসব মতামত পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত পরিকল্পনা প্রণয়নের কথা রয়েছে।
সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বলেছেন, মহাপরিকল্পনা শুধু কাগজে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না; জনসচেতনতা, প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং আইনের প্রয়োগের মাধ্যমেই পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ২০২৫-২০৫০ মেয়াদের চতুর্থ মহাপরিকল্পনাকে বাস্তবসম্মত করতে জনমতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
পরিকল্পনা বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ
চট্টগ্রামের জন্য নতুন মহাপরিকল্পনায় বড় স্বপ্নের পাশাপাশি বড় চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এর আগে ১৯৯৫ সালের মহাপরিকল্পনা এবং পরবর্তী ড্যাপের অনেক প্রস্তাব পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। নগর পরিকল্পনাবিদদের একটি অংশ তাই নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি আগের পরিকল্পনাগুলোর কোন অংশ বাস্তবায়িত হয়েছে, কোনটি হয়নি এবং কেন হয়নি—তার মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
ফলে চট্টগ্রামকে সাংহাইয়ের আদলে গড়ে তোলার স্বপ্ন কেবল মহাপরিকল্পনার নকশায় সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বাস্তবে রূপ নেবে—তা নির্ভর করবে পরিকল্পনার ধারাবাহিক বাস্তবায়ন, সংস্থাগুলোর সমন্বয়, ভূমি ব্যবহারে কঠোরতা, পরিবেশ রক্ষা এবং রাজনৈতিক-প্রশাসনিক সদিচ্ছার ওপর।
নদীর দুই তীরে নতুন নগর, স্যাটেলাইট টাউন, পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চল, আধুনিক পরিবহন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সংরক্ষিত পাহাড়-খাল-পুকুর এবং বিকেন্দ্রীভূত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড—সব মিলিয়ে বাস্তবায়ন করা গেলে এই মহাপরিকল্পনা চট্টগ্রামের নগর কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তবে আগের পরিকল্পনাগুলোর বাস্তবায়ন ঘাটতি কাটিয়ে এবার ‘মাস্টারপ্ল্যান’ থেকে ‘মাস্টার একশন’-এ যেতে পারলেই সাংহাইয়ের আদলে পরিকল্পিত, বাসযোগ্য ও বাণিজ্যিকভাবে শক্তিশালী চট্টগ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্য বাস্তব রূপ পাবে।
চাটগাঁ নিউজ/এসএ






