মহেশখালী প্রতিনিধি : দেশের এক মাত্র লবণ উৎপাদনকারী জেলা কক্সবাজারসহ মহেশখালী উপজেলাতে মাঠ পর্যায়ে লবণের দাম হঠাৎ কমে যাওয়ায় বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কায় পড়েছেন প্রান্তিক লবণ চাষিরা। এতে করে মহেশখালীর লবণ শিল্পে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ অবস্থায় ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের দাবিতে মহেশখালী লবণ চাষী ও ব্যবসায়ী সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে শিল্প মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। মহেশখালী লবণ চাষী ও ব্যবসায়ী সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি ও সাংবাদিক হোবাইব সজীবের নেতৃত্বে প্রান্তিক লবণ চাষিরা এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে শিল্পমন্ত্রীর দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।
এসময় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন লবণ চাষী মো. সাইফুল, আইয়ুব, আব্দুস সালাম, করিম, মহেশখালী লবণ চাষী সংগ্রাম ও ব্যবসায়ী সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফোরকান, সদস্য যুবরাজ, সাংবাদিক এরফান হোসেন, শাহরিয়া বাবু ও রাইহান উদ্দিন প্রমূখ।
স্মারকলিপিতে সংগঠন নেতৃবৃন্দ ও চাষিরা উল্লেখ করেন, উৎপাদন খরচ বাড়লেও বাজারে লবণের দাম আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। এতে করে তারা উৎপাদন খরচই তুলতে পারছেন না। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অনেক চাষি লবণ উৎপাদন থেকে সরে যেতে বাধ্য হবেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা। পাশাপাশি জমি থেকে বাজার সবখানেই মধ্যস্বত্বভোগী (দালাল) সিন্ডিকেট। পুরো মৌসুমেই দালালদের কাছে অসহায় কক্সবাজার উপকূলের প্রান্তিক লবণচাষি। জমি থেকে শুরু করে মাঠের পলিথিন কেনা ও লবণ বিক্রি সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ দালাল চক্রের হাতে। লাগাম টানতে সরকারের সহযোগিতা চান বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন।
চাষিরা প্রতিমণ লবণের দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা নির্ধারণের দাবি জানান। একই সঙ্গে লবণ খাতকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এদিকে লবণের দাম পর্যাক্রমে বাড়বে বলে জানিয়েছেন শিল্প মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
মহেশখালী/এসএ





