চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক : নৌবাহিনীর বার্ষিক মহড়ায় বঙ্গোপসাগরে সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পাঁচদিনের মহড়া শেষ হয়েছে।
রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসানের আমন্ত্রণে নৌমহড়া প্রত্যক্ষ করেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান শুভ্র।
উপদেষ্টারা নৌবাহিনীর জাহাজ ‘খালিদ বিন ওয়ালিদ’ থেকে সমাপনী দিবসের মহড়া প্রত্যক্ষ করেন। এসময় অতিথিরা দেশের সমুদ্রসীমা রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পাঁচদিনের মহড়ায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট, করভেট, ওপিভি, মাইন সুইপার, পেট্রোলক্রাফ্ট, মিসাইল বোট এবং নৌবাহিনীর মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট, হেলিকপ্টার ও বিশেষায়িত ফোর্স সোয়াডস অংশ নেয়। বিমানবাহিনী, কোস্টগার্ডসহ আরও কয়েকটি সংস্থা এতে অংশ নেয়। মহড়ায় নৌ বহরের বিভিন্ন রণকৌশল অনুশীলন, সমুদ্র এলাকায় পর্যবেক্ষণ, লজিষ্টিক অপারেশন, উপকূলীয় এলাকায় নৌ স্থাপনাগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তুলে ধরা হয়।
আর সমাপনী মহড়ায় নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে ক্ষেপনাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শোল্ডার লঞ্চড সারফেস টু এয়ার মিসাইল ফায়ারিং, এ্যান্টি এয়ার র্যাপিড ওপেন ফায়ারিং, রকেট ডেপথ চার্জ ফায়ারিং, ইউএভি অপারেশন, নৌকমান্ডোদের মহড়া হেলিকপ্টার ভিজিট বোর্ড সার্চ এন্ড সিজার এবং নৌযুদ্ধের বিভিন্ন রণকৌশল প্রদর্শন করা হয়।
নৌবাহিনীর এ বার্ষিক মহড়ার মূল লক্ষ্য সমুদ্র এলাকায় দেশের সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ, সমুদ্র সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ, সমুদ্র পথের নিরাপত্তা বিধানসহ চোরাচালানরোধ, জলদস্যুতা দমন, উপকূলীয় এলাকায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সমুদ্র এলাকায় প্রহরা নিশ্চিত করা বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
চাটগাঁ নিউজ/এসএ






