চট্টগ্রামে বিজিএমইএর ৩৪২টি কারখানায় বেতন ও বোনাস পরিশোধ

চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক : বিজিএমইএর তালিকাভুক্ত চট্টগ্রামের ৩৪২টি কারখানাতেই ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান।

বিজিএমইএ জানায়, ঢাকা ও চট্টগ্রামে মোট ২ হাজার ১২৭টি চালু কারখানার মধ্যে ২ হাজার ৮০টি কারখানা বোনাস পরিশোধ করেছে। ঢাকা অঞ্চলে ১ হাজার ৭৮৫টি এবং চট্টগ্রামে ৩৪২টি কারখানা সক্রিয় রয়েছে। এছাড়া, ফেব্রুয়ারির মাসের বেতন প্রদান করেছে ২ হাজার ১০৪টি কারখানা, যা শতকরা ৯৮.৯২ শতাংশ।

বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান বলেন, কিছু কারখানা বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে অর্ডার কমে যাওয়া ও ঋণের চাপের মধ্যেও শ্রমিক ভাই-বোনদের পাওনা পরিশোধ করেছে, যা অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক। বর্তমান শিল্প ও শ্রমবান্ধব সরকারের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে বিশেষ ঋণ সুবিধা এবং দ্রুত ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার নগদ সহায়তা ছাড়ের সিদ্ধান্ত উদ্যোক্তাদের তারল্য সংকট লাঘবে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। এর ফলে বেতন-বোনাস পরিশোধ এবং শিল্পের কার্যক্রম সচল রাখা অনেকটাই সহজ হয়েছে।

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে চট্টগ্রামের তৈরি পোশাক শ্রমিকদের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। সময়মতো বেতন ও ঈদ বোনাস পাওয়ায় তারা হাসিমুখে নিজ নিজ বাড়ির পথে রওনা হচ্ছেন।

বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান বলেন, বিজিএমইএ সদস্যরা সবসময় শ্রমিক ভাই-বোনদের প্রতি দায়বদ্ধ। ঈদের আগের শেষ কর্মদিবসেই চট্টগ্রামে বিজিএমইএর তালিকাভুক্ত সব কারখানায় শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে কোথাও শ্রমিক অসন্তোষের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ঈদের আগে পাওনা বুঝে পেয়ে শ্রমিকরা হাসিমুখে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, বেতন-বোনাস পরিশোধ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর নিয়মিত সহযোগিতা দিয়েছে। এ জন্য বিজিএমইএ পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

চাটগাঁ নিউজ/এসএ

Scroll to Top