চট্টগ্রামে বিএনপির ১৭ প্রার্থীর ১৬ জনই কোটিপতি, লাখপতি কেবল হুমাম

চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামের নির্বাচনি আসনগুলোতে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া ১৭ প্রার্থীর মধ্যে ১৬ জনই কোটিপতি। যাদের মধ্যে আবার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে শত কোটি টাকার মালিকও রয়েছেন। তাছাড়া নগদ কোটি টাকা রয়েছে ৯ প্রার্থীর হাতে। একমাত্র হুমাম কাদের চৌধুরীর নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত, শেয়ারসহ সব মিলিয়ে অস্থাবর সম্পদ রয়েছে কোটি টাকার নিচে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় বিএনপির প্রত্যেক প্রার্থী তাদের আয় ও সম্পদের এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন।

বিএনপির ১৭ প্রার্থীর হলফনামায় আয় ও সম্পদ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে— প্রার্থীদের মধ্যে ১৫ জনই ‘ব্যবসার’ কথা উল্লেখ করেছেন। আইন পেশার কথা উল্লেখ করেছেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। মৎস্য চাষ ও সমাজসেবাকে পেশা হিসেবে তথ্য দিয়েছেন মোস্তফা কামাল পাশা।

তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্থাবর সম্পদ রয়েছে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীর। তাঁর স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩৫৮ কোটি ৯৮ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩২ টাকা। এই সম্পদের বর্তমান মূল্য ৪৩০ কোটি ৭৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

তবে স্থাবর সম্পদে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এগিয়ে থাকলেও সর্বোচ্চ বার্ষিক আয়ে এগিয়ে আছে জসীম উদ্দীন আহমেদ। তাঁর বার্ষিক আয় ২ কোটি ৫৫ লাখ ৪৭ হাজার ১৬৬ টাকা। নগদ টাকাও সবচেয়ে বেশি আছে এই প্রার্থীর। তাঁর হাতে নগদ টাকা রয়েছে ১৫ কোটি ১ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৯ টাকা।

চট্টগ্রামের ১৬ আসনের বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন— চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সরোয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) গোলাম আকবর খন্দকার ও গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (এ আসনে দুজনকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি), চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) হুমাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-ডবলমুরিং) সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) মোহাম্মদ এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) জসীম উদ্দীন আহমেদ, চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) নাজমুল মোস্তফা আমীন ও চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী। ইতোমধ্যে তাঁদের সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

কার কত সম্পদ

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনের বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রায় ৪৫৭ কোটি টাকার সম্পদ এবং ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ এনামুল হকের মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৪.৫৯ কোটি টাকা। এছাড়া তার ঋণের পরিমাণ ১২১.১৫ কোটি টাকা।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনের বিএনপি প্রার্থী জসিম উদ্দীন আহমেদের ৪০.৬১ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির এক প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ২৫.৭৯ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। বিএনপির আরেক প্রার্থী গোলাম আকবর খন্দকারের মোট সম্পদ ৩৬.৩৬ কোটি টাকা। ইউনিয়ন ব্যাংকে তার ২৭.৮ কোটি টাকার ঋণের ওপর হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ রয়েছে।

চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, খুলশী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের মোট সম্পদ ৩৪.৭৭ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মোট সম্পদ ১৪.৮ কোটি টাকা।

এছাড়া চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের ৩১.২২ কোটি টাকা, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে এরশাদ উল্লাহর ২৩.৮৭ কোটি, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে সরওয়ার আলমগীরের ১৩ কোটি, চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরীর ১০.৪ কোটি, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে সরওয়ার জামাল নিজামের ৬.৪১ কোটি।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে মোস্তফা কামাল পাশার ৬.৭৮ কোটি, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের ৪.৩৮ কোটি, চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে নাজমুল মোস্তফা আমিনের ৪ কোটি ও চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে নুরুল আমিনের ১.৪৯ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে।

অন্যদিকে প্রয়াত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরীর নিজের নামে কোনো ফ্ল্যাট বা জমি নেই। তাঁর নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত, শেয়ারসহ সব মিলিয়ে কেবল ৮৪ লাখ টাকা অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। ফলে তিনিই একমাত্র প্রার্থী যার সম্পদের পরিমাণ কোটি টাকার নিচে।

আয় ও নগদ টাকা কার কত

হলফনামার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে— ১৭ প্রার্থীর মধ্যে জসীম উদ্দীন আহমেদের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর। তাঁর বছরে আয় ১ কোটি ৫৯ লাখ ৪২৪ টাকা। কোটি টাকার বেশি আয় করেন আরও এক প্রার্থী। তিনি সাঈদ আল নোমান, তাঁর আয় ১ কোটি ২ লাখ ৮১ হাজার ৩৫০ টাকা।

বছরে ৫০ লাখ টাকার বেশি আয় করেন এমন প্রার্থীর সংখ্যা দুজন। তাঁদের মধ্যে মোহাম্মদ এনামুল হকের আয় ৮১ লাখ ৭৮ হাজার ৬২২ টাকা। আরেক প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের বার্ষিক আয় ৫৭ লাখ ৪৬ হাজার ৮৪৪ টাকা।

বার্ষিক আয় সবচেয়ে কম নাজমুল মোস্তফা আমীনের। তাঁর বছরে আয় হয় ৬ লাখ ৬৫ হাজার ৫৩৫ টাকা। বাকি প্রার্থীদের সবার আয় ৮ লাখ টাকার বেশি।

বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে ৯ জনের হাতে কোটি টাকার বেশি নগদ অর্থ রয়েছে। এর মধ্যে জসীম উদ্দীন আহমেদের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নগদ অর্থ রয়েছে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীর হাতে ১১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এরপর সবচেয়ে বেশি নগদ ৮ কোটি ১৫ লাখ ৫০ হাজার ৫৭৬ টাকা রয়েছে সাইদ আল নোমানের।

হলফনামার বিবরণী অনুযায়ী, সবচেয়ে কম নগদ অর্থ রয়েছে সরোয়ার আলমগীরের। তাঁর হাতে আছে ৩ লাখ ২১ হাজার ১৪ টাকা।

ব্যাংকে সবচেয়ে বেশি টাকা রয়েছে সাঈদ আল নোমানের। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকে তাঁর জমা টাকার পরিমাণ ১০ কোটি ২২ লাখ ৪০ হাজার ৮১০ টাকা। ব্যাংকে জমার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে আছেন এরশাদ উল্লাহ। ব্যাংকে তাঁর জমা আছে ৫৯ লাখ ৭২ হাজার ১৩০ টাকা। সবচেয়ে কম টাকা ব্যাংকে জমা আছে মোস্তফা কামাল পাশার, যার পরিমাণ ১ হাজার ৮০৫ টাকা। মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী ‘প্রযোজ্য নহে’ উল্লেখ করেছেন হলফনামায়।

অস্থাবর–স্থাবর সম্পদ

কোটি টাকার বেশি অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ১৩ প্রার্থীর। নগদ ও ব্যাংকে জমা টাকাসহ সবচেয়ে বেশি অস্থাবর সম্পদ আছে সাঈদ আল নোমানের। তাঁর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২২ কোটি ৯৪ লাখ ২৫ হাজার ১৬ টাকা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২১ কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার ১৭৭ টাকা।

১০ কোটি টাকার বেশি অস্থাবর সম্পদ আছে তিনজনের। তাঁদের মধ্যে জসীম উদ্দীন আহমেদের অস্থাবর সম্পদ আছে ১৫ কোটি ৯২ লাখ ৭৯ হাজার ৯৬৩ টাকার। গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১৪ কোটি ৮২ লাখ ৬০ হাজার ৯৫৫ টাকা। এরশাদ উল্লাহর অস্থাবর সম্পদ আছে ১১ কোটি ৬১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৩৫ টাকার।

অস্থাবর সম্পদের ক্ষেত্রে সবার চেয়ে পিছিয়ে আছেন নুরুল আমিন। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

১৩ প্রার্থীরই কোটি টাকার বেশি স্থাবর সম্পদ রয়েছে। আসলাম চৌধুরীর পর দ্বিতীয় স্থানে আছেন মোহাম্মদ এনামুল হক। তাঁর স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২৯ কোটি ৭৬ লাখ ৪৯ হাজার ৮২২ টাকা। এরপর স্থাবর সম্পদ বেশি আছে জসীম উদ্দীন আহমেদের—যার পরিমাণ ২৪ কোটি ৬৮ লাখ ৫৭ হাজার ৫৫০ টাকা।

হলফনামায় সবচেয়ে কম স্থাবর সম্পদ দেখিয়েছেন চট্টগ্রাম-১৫ আসনের নাজমুল মোস্তফা আমীন। তাঁর কাছে স্থাবর সম্পদ রয়েছে ১১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। কোটি টাকার কম স্থাবর সম্পদ থাকা অন্য দুই প্রার্থীর মধ্যে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরীর আছে ৭১ লাখ ৮ হাজার ৭৫০ টাকা এবং মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের ৭২ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।

আয়কর বিবরণীর তথ্য

হলফনামায় উল্লেখ করা আয়কর রিটার্নের সম্পদ সবচেয়ে বেশি দেখিয়েছেন মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী। আয়কর রিটার্নে ৩৬৫ কোটি ৫ লাখ ২৮ হাজার ৮৩৬ টাকার সম্পদের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। বাকি ১৬ প্রার্থীর মধ্যে ১৪ জনেরই আয়কর রিটার্নে সম্পদের পরিমাণ কোটি টাকার বেশি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্পদ দেখিয়েছেন জসীম উদ্দীন আহমেদ ৪০ কোটি ৫৮ লাখ ২১ হাজার ১৩ টাকা।

আয়কর রিটার্নে সবচেয়ে কম সম্পদের কথা উল্লেখ করেছেন হুমাম কাদের চৌধুরী, যার পরিমাণ ৮৪ লাখ ২০ হাজার ২৬২ টাকা। এরপর নাজমুল মোস্তফা আমীন দেখিয়েছেন ৮৪ লাখ ৫০ হাজার ৮০২ টাকা।

কোটিপতি স্ত্রী যাদের

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের হুমাম কাদের চৌধুরী নিজে কোটিপতি না হলেও অন্যান্য প্রার্থীদের স্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নগদ অর্থ আছে হুমাম কাদেরের স্ত্রী শ্যামানজার শ্যামা খানের। তাঁর হাতে আছে নগদ ২৬ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার ৫৯৩ টাকা। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী উল্লেখ করেছেন।

হাতে নগদ কোটি টাকার বেশি আছে আরও ৫ প্রার্থীর স্ত্রীদের কাছে। চার প্রার্থী স্ত্রীদের হাতে নগদ অর্থের কথা উল্লেখ করেননি। সবচেয়ে কম নগদ টাকা আছে সরওয়ার জামাল নিজামের স্ত্রী নাজনীন নিজামের যার পরিমাণ ১৮ হাজার ৪৯২ টাকা।

প্রার্থীদের মধ্যে হুমাম কাদের চৌধুরীর স্ত্রী শ্যামানজার শ্যামা খানের সবচেয়ে বেশি অস্থাবর সম্পদ আছে। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৩৬ কোটি ১২ লাখ ৪৬ হাজার ৫১১ টাকা। সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী মিনা পারভীন কাদের চৌধুরীর ৬ কোটি ২৫ লাখ ৪১ হাজার ১৫১ টাকার অস্থাবর সম্পদ আছে। সবচেয়ে কম অস্থাবর সম্পদ আছে নুরুল আমিনের স্ত্রীর, অর্জনকালীন মূল্য ছিল ৮৫ হাজার টাকা। বর্তমান মূল্য ৩০ লাখ টাকা।

হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতু আছে জসীম উদ্দীন আহমেদের। তাঁর কাছে ৫০ ভরি স্বর্ণ আছে। তাঁর স্ত্রী স্বর্ণের পরিমাণ উল্লেখ না করে মূল্য লিখেছেন আড়াই লাখ টাকা। প্রার্থীদের স্ত্রীদের মধ্যে এরশাদ উল্লাহর স্ত্রীর কাছে ৫০ ভরি স্বর্ণ আছে। এরশাদ উল্লাহর কাছে আছে ৩০ ভরি।

চাটগাঁ নিউজ/জেএইচ/এসএ

Scroll to Top