চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। মা-ছেলের মৃত্যুর পর এবার পরপারে পাড়ি দিলেন আহমেদ সুমন (৪০)। যিনি সর্বশেষ নিহত মো. শাওন (১৬) এর চাচা। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ জনে।
আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে, আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মারা যান মো. শাওন (১৬)। তার আগে, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মারা যান শাওনের মা নুরজাহান আক্তার রানী (৪০)।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান আহমেদ সুমনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সুমনের শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। শ্বাসনালীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
বর্তমানে মো. সাখাওয়াত হোসেন ১০০ শতাংশ, মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা ৩৮ শতাংশ, আশুরা আক্তার পাখি ১০০ শতাংশ, আয়েশা ৪৫ শতাংশ ফারহান আহমেদ আনাস ৩০ শতাংশ এবং শিপন ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের সবার অবস্থাই আশংকাজনক বলে জানান ডা. শাওন বিন রহমান।
এর আগে, গতকাল সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে হালিশহরের একটি বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার দিকে তাদেরকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায় স্বজনরা।
এই ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন মো. সাখাওয়াত হোসেন (৪৬), স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০), ছেলে শাওন(১৬) মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা (১০), সাখাওয়াতের ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমন (৪০), স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫), মেয়ে আয়েশা (৪) ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস (৬) এবং সাখাওয়াতের আরেক ছোট ভাই শিপন হোসেন (৩০) ৯ জন।
দগ্ধ সাখাওয়াতের চাচাতো ভাই মো. মিলন জানান, তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার বাগমারা গ্রামে। সাখাওয়াত হোসেন হালিশহরে মোটরপার্টসের ব্যবসা করেন। পর্তুগাল প্রবাসী ভাই সুমন চলতি মাসের ৪ তারিখে দেশে আসে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসার জন্য সুমন পরিবার নিয়ে চট্টগ্রামে সাখাওয়াতের বাসায় আসে। আরেক ছোট ভাই শিপন হালিশহরেরই বাসিন্দা।
তিনি আরও জানান, সোমবার ভোরে তারা সাহরি খাওয়ার কিছুক্ষণ পরপরই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস থেকে জানতে পারি, জমা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে। কিন্তু সঠিক কারণ এখনও আমাদের কাছে অজানা।
চাটগাঁ নিউজ/জেএইচ
আরও খবর পড়ুন – চাটগাঁ নিউজ হোমপেজ
![]()
লাইভ আপডেটেড ভিডিও নিউজ দেখতে চোখ রাখুন সিপ্লাস টিভির ইউটিউব চ্যানেলে





