নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে আবার কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। শনিবার আরও একদিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকলেও অধিকাংশ বেসরকারি অফিসের ছুটি আজ শুক্রবারে শেষ হয়ে গেছে। ফলে বাস, ট্রেন বা ব্যক্তিগত গাড়িতে যে যেভাবে পারছে ফিরছেন বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। তবে পথে তেমন কোনো ভোগান্তি নেই। স্বচ্ছন্দ্যেই ভ্রমণ করছেন সবাই।
আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালে দেখা গেছে, ঈদের ছুটি কাটিয়ে মহানগরে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা। টার্মিনালে কক্সবাজার, চকরিয়া, আমিরাবাদ, টেকনাফ, বান্দরবানসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা থেকে বাসগুলো নগরে ঢুকছে। এছাড়া নগরীর অন্যান্য বাস টার্মিনালেও ফিরতি যাত্রী নিয়ে একের পর এক পরিবহন ঢুকছে। ফলে সকাল থেকে ফাঁকা নগরী ভরপুর হয়ে ওঠতে শুরু করেছে। সড়কে বেড়েছে গণপরিবহনের সংখ্যা। অলি-গলিতে বাড়ছে শোরগোল।
চান্দগাঁও বিসিক শিল্প এলাকার একটি পোশাক কারখানার কর্মকর্তা মো. হানিফ বলেন, আমি চন্দনাইশ কলেজ গেইট থেকে আসছি। আমার বাড়ি সুচিয়ায়। পরিবার নিয়ে বাড়িতে ঈদ করতে গিয়েছিলাম। বাড়িতে বাবা-মা, ভাইয়েরা আছেন। পাঁচ দিন ছিলাম। আজ চলে আসছি। আগামীকাল শনিবার থেকে অফিস খোলা।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী একটি চেয়ারকোচের কর্মী ফারুক রিদোয়ান বলেন, টার্মিনালে তেমন যাত্রী নামে না। এদিকে যাদের কর্মস্থল বা বাসাবাড়ি তারা এখানে নামে। অধিকাংশ যাত্রী নতুন ব্রিজে নেমে যান। নতুন ব্রিজে নেমে নিউমার্কেট, কোতোয়ালি হয়ে সবাই শহরে ঢুকে। আজ থেকে মোটামুটি যাত্রী বেড়ে গেছে। বাড়ি-ঘর থেকে লোকজন শহরে আসতে শুরু করেছে। রাস্তায় তেমন যানজট নেই।
এবারের ঈদের যাত্রা তুলনামূলক স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হওয়ায় ভোগান্তি ছাড়াই যাতায়াত করতে পেরেছেন সাধারণ মানুষ।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে দেখা গেছে, ঢাকা, সিলেট, চাঁদপুর, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন রুট থেকে আসা ট্রেনে করে শত শত যাত্রী বন্দরনগরীতে ফিরতে শুরু করছেন।
চাঁদপুর থেকে আসা মো. সিয়াম উদ্দিন বলেন, আমি একটি প্রোডাক্ট সাপ্লাই কোম্পানিতে চাকরি করি। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে গেছিলাম। আজ চলে আসছি।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের গৃহিত পদক্ষেপগুলো যথাযথভাবে চলছে। তাছাড়া যাত্রীরা যাতে ভোগান্তির শিকার না হন সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
চাটগাঁ নিউজ/ইউডি/এসএ