বেনজীরের পুকুরে মাছ ধরায় মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

শেয়ার করুন

চাটগাঁ নিউজ ডেস্ক : পুলিশের সাবেক প্রধান (আইজিপি) বেনজীর আহমদের ক্রোক করা সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কের পুকুরে মাছ ধরায় রিসোর্টের মৎস্য হ্যাচারি কর্মকর্তা সফিকুল ইসলামসহ (৫০) অজ্ঞাতপরিচয়দের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

আজ শনিবার (৮ জুন) গোপালগঞ্জ থানায় মামলাটি করেছেন, গোপালগঞ্জ জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. সোহরাব হোসেন। দণ্ডবিধির ৩৭৯/৩৮১/৫১১ ধারায় তিনি মামলাটি দায়ের করেন।

আজ দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশন, গোপালগঞ্জের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কের মধ্যে অবস্থিত পুকুরের মাছসহ বিভিন্ন সম্পদ চুরি হচ্ছে বলে দুদক কর্মকর্তারা খবর পান। বিষয়টি দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহের জন্য নির্দেশনা দেন। এরপর দুদকের একটি টিম গতকাল শুক্রবার (৭ জুন) গভীর রাতে সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কে যান। তখন রিসোর্টের ভেতরে ২০ একরের একটি পুকুর থেকে মাছ ধরতে দেখেন তারা।

তিনি আরও বলেন, দুদক টিম আসার খবর পেয়ে আসামিসহ অন্যরা পালিয়ে যান। এ সময় ৫৫৫ কেজি তেলাপিয়া ও সাড়ে ৩৭ কেজি কাতলা মাছ জব্দ করা হয়। পরে তা নিলামে তুলে ৮৩ হাজার ৭৫৪ টাকায় বিক্রি করা হয়। ওই অর্থ সরকারি খাতে জমা দেওয়া হয়েছে।

দুদকের ওই কর্মকর্তা বলেন, মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত জেলেদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, রিসোর্টের দায়িত্বরত মৎস কর্মকর্তা সফিকুল ইসলামের নির্দেশে তারা মাছ ধরছেন। এ ঘটনায় সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কের মৎস কর্মকর্তা সফিকুল ইসলামকে আসামি করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সোহরাব হোসেন সোহেল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।

অবৈধ সম্পদ অর্জনে গত ২৩ মে সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদের ৮৩টি দলিলের সম্পত্তি ও ৩৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দেয় আদালত।

চাটগাঁ নিউজ/এআইকে

Scroll to Top