ঈদগাঁও প্রতিনিধি: কক্সবাজারের ঈদগাঁও–ঈদগড় সড়কে একইদিনে দুই দফা গণডাকাতির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এতে উক্ত এলাকায় চলাচল করা যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালের দিকে সড়কের হিমছড়ি ডালায় প্রথম দফায় ডাকাতি হয়। পরে দুপুর ২টার দিকে একই সড়কে আবারও গণডাকাতির ঘটনা ঘটে।
এসময় সিএনজি অটোরিকশা, টমটম ও মোটরসাইকেলে থাকা যাত্রীদের কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুটের অভিযোগ উঠেছে। দিনের আলোয় এমন ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৭টার দিকে ঈদগাঁও থেকে ঈদগড় যাওয়ার পথে হিমছড়ি ডালায় সংঘবদ্ধ ডাকাত দল চারটি টমটম ও দুটি সিএনজি অটোরিকশায় থাকা যাত্রীদের জিম্মি করে। এসময় মোহাম্মদ কালাম ও আলী আকবরের দুটি সিএনজি অটোরিকশায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতেরা গাড়িতে থাকা যাত্রীদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সকালের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই দুপুর ২টার দিকে একই সড়কে আবারও গণডাকাতির ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, সংঘবদ্ধ ডাকাত দল সড়কের দুই পাশ থেকে সিএনজি অটোরিকশা, টমটম ও মোটরসাইকেল আটকে অর্ধশতাধিক যাত্রীকে জিম্মি করে। এ সময় যাত্রীদের কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।
দ্বিতীয় দফার ডাকাতির শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন এনজিও সংস্থা মুক্তির কক্সবাজারের ঈদগড়ের সহকারী অ্যাকাউন্টস অফিসার আবদুল হাকিম, সুপার স্টার কোম্পানির প্রতিনিধি রবিউল এবং এনজিও সংস্থা ইপসার কর্মী ইমন ও পিউ চাওদা ইকরামা। তাদের কাছ থেকেও নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করা হয়েছে।
গণডাকাতির খবর পেয়ে ঈদগাঁও থানা পুলিশ সদস্যরা স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল ও আশপাশের সম্ভাব্য স্থানে অভিযান চালান। এ সময় গহিন জঙ্গল থেকে নেকাব, বোরকা, গেঞ্জি ও শার্ট উদ্ধার করা হয়।
ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম সিফাতুল মাজদা জানান, ডাকাতির খবর পাওয়ার পর পুলিশ সদস্য ও স্থানীয়দের নিয়ে সম্ভাব্য স্থানগুলোতে, বিশেষ করে গহিন জঙ্গলে অভিযান চালানো হয়েছে। অপরাধীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।
চাটগাঁ নিউজ/সেলিম/জেএইচ






