সচল হলো চমেক হাসপাতালের এনজিওগ্রাম মেশিন

শেয়ার করুন

চাটগাঁ নিউজ ডেস্কঃ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগ বিভাগের নষ্ট হয়ে যাওয়া এনজিওগ্রাম মেশিন অবশেষে ১২ দিন পর সচল হলো। গতকাল হৃদরোগ বিভাগের ক্যাথল্যাবে এনজিওগ্রাম হয়েছে ৫ জন রোগীর, হার্টে রিং পরানো হয়েছে ২ রোগীর, পারমানেন্ট পেসমেকার (পিপিএম) স্থাপন করা হয়েছে একজন রোগীর।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে চমেক হাসপাতাল হৃদরোগ বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. আশীষ জানান, “প্রায় ১০ দিন ধরে ক্যাথল্যাবটি বিকল অবস্থায় পড়ে ছিলো। তবে এনজিওগ্রাম মেশিনটি ওয়ারেন্টির পিরিয়ডের মধ্যে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কোম্পানির লোকজন এসে অস্থায়ী পিকচার টিউব লাগিয়ে দিয়েছেন। এতে আমাদের কার্যক্রম পুনরায় চলছে। তবে তারা শিগগিরই অরজিনাল পিকচার টিউব স্থাপন করে দিবে বলেছেন”

এর আগে রবিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে হৃদরোগ জনিত সমস্যায় বিভাগটিতে অনেক রোগী ভর্তি থাকতে দেখা যায়। বেসরকারি হাসপাতালে এই পরীক্ষাগুলো করলে ২০ হাজার টাকার মতো খরচের প্রয়োজন বলে এই টাকা জোগাড় করতে হিমশিমে পড়েছিলো রোগীর স্বজনরা। তবে আজ মেশিনটির জাপানি মালিকানার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি দল মেশিনে অস্থায়ী পিকচার টিউব স্থাপন করে দিয়েছেন। ফলে মেশিনের কার্যক্রম চলছে।

জানা গেছে, ক্যাথল্যাব বা কার্ডিয়াক ক্যাথেটারাইজেশনের (এনজিওগ্রাম) মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের মাংসপেশি, ভাল্ব (কপাটিকা), ধমনির পরিস্থিতি জানতে এবং হৃদযন্ত্রের রক্তের চাপ বুঝতে রোগীকে ক্যাথল্যাবে পরীক্ষা করে দেখা হয়। ত্রুটি ধরা পড়লে প্রয়োজনমতো রক্তনালিতে স্টেন্ট বা রিং পরানো, পেসমেকার বসানো, সংকুচিত ভাল্বকে ফোলানোসহ বিভিন্ন অস্ত্রোপাচার করা হয়।

চাটগাঁ নিউজ/এসবিএন

Scroll to Top