চট্টগ্রামে চালু হচ্ছে ইলেকট্রিক চার্জিং স্টেশন

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পরিবেশবান্ধব ও জ্বালানী সাশ্রয় হওয়ায় উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে ইতিমধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে বিদ্যুতিক গাড়ি। তবে আমাদের দেশের রাস্তায় খুব একটা চোখে পড়ে না এই ধরণের গাড়ি। এর অনেকগুলো কারণ থাকলেও অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয় প্রয়োজনীয় চার্জিং স্টেশনের অভাব। আজ থেকে ৪/৫ মাস আগে দেশে প্রথমবারের মতো ঢাকায় বেসরকারি উদ্যোগে বিদ্যুতিক গাড়ির চার্জিং স্টেশন স্থাপন হয়েছিলো। ঢাকার পর এবার চট্টগ্রামেও প্রথমবারের মতো বৈদ্যুতিক গাড়ির জন্য চার্জিং স্টেশন চালু করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

এই প্রকল্প নিয়ে চসিক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম চাটগাঁ নিউজকে জানান, আমাদের মেয়র মহোদয়ের উদ্যোগে চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো ইলেকট্রিক চার্জিং স্টেশন করতে যাচ্ছি। সিটি কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে প্রাথমিকভাবে আমরা চট্টগ্রাম ওয়াসা মোড়ে সিটি কর্পোরেশনের সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এটি চালু করতে যাচ্ছি।

পরিবেশকে রক্ষার জন্য চসিকের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে পরিবেশবিদ প্রফেসর মোঃ ইদ্রিস আলী বলেন, “চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের গাড়ি রিচার্জিং এর ক্ষেত্রে বিদ্যুতকে সংযুক্ত করা একটি দূরদর্শী পদক্ষেপ। এই স্টেশন যেখানে যেকটা করুক তবে গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী করুক। যা জনগণকে এক নতুন বাংলাদেশের স্বাদ দিবে এবং পরিবেশ বিপর্যয় থেকে মুক্তি দিবে। বাতাসকে সুরক্ষিত, বিপদমুক্ত ও দূষণমুক্ত করার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপটা একটা ভালো পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে”

চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো বিদ্যুতিক গাড়ির জন্য চার্জিং স্টেশন স্থাপনের বিষয়ে চসিক মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, সারা বাংলাদেশের মতো চট্টগ্রামেও জ্বালানি অবস্থা খুবই খারাপ। যার কারণে প্রথমবারের মতো আমরা এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রথমবারের মতো যেরকম সিএনজি স্টেশন করেছে এবার প্রথমবারের মতো চার্জিং স্টেশন করতে যাচ্ছে। আশা করি অতিসত্ত্বর এটার কাজ আরম্ভ হবে।

চসিকের এমন উদ্যোগে ব্যবসায়ীদের যেমন লাভ হবে তার চেয়ে বেশি লাভবান হবে পরিবেশের। কেননা বর্তমানে ডিজেল পেট্রোল অকটেনের কারণে পরিবেশ যেভাবে বিপর্যয় হচ্ছে তা এ বিদ্যুতিক চার্জিং স্টেশন স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন নগরবাসী। সেইসাথে এই উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন হবে এই প্রত্যাশা এখন নগরবাসীর।

চাটগাঁ নিউজ/এসবিএন

Scroll to Top